সঙ্কট কাটাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপের জোরালো আবেদন জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ। যখন রোহিঙ্গা সঙ্কট উত্তরণে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে নানা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রচেষ্টারত বাংলাদেশ, তখন মিয়ানমার সে দেশ থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেবার নিমিত্তে ঢিমেতালে এগুচ্ছে। এই ইস্যুতে অবনতি হয়েছে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক। দারিদ্রপীড়িত বাংলাদেশ দিনের পর দিন রোহিঙ্গাদের বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে হিমশিম খাচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশকে উদ্দেশ্য করে মিয়ানমারের তথ্যমন্ত্রী ডঃ পি মিয়ান্ট বলেছেন, বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার একে অপরের প্রতিবেশী, দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকাটা জরুরী। শনিবার দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন।
এর জন্যে মিয়ানমার বাংলাদেশকে যে কোন ধরণের সহায়তা করতে প্রস্তুত। তিনি আরো বলেন, সম্পর্ক সুসংহত করতে দুই দেশের মধ্যে (বাংলাদেশ এবং মিয়ানমার) নিয়মিত সংলাপের আয়োজন হওয়া উচিৎ। দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক এবং নাগরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ব্যাপারেও আলোকপাত করেন তিনি। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ইস্যুতে এখনো দৃশ্যমান কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ না করা মিয়ানমারের তথ্যমন্ত্রীর দেয়া এই বক্তব্য কি নিছক বক্তব্যের খাতিরেই বলা, নাকি সত্যিই সুস¤পর্ক বজায় রাখার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে দেশটি- তা নিয়ে সুশীল সমাজে চলছে নানা আলোচনা।
