আজ সন্ধ্যায় তিন দিন ধরে বৃষ্টির কারণ বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ কেটে যাচ্ছে। এতে আবহাওয়া শুকনো হয়ে উঠবে ঠিকই, কিন্তু ধীরে ধীরে কমতে থাকবে তাপমাত্রা।

চলতি বছর শীতবুড়ি আসতে সময় নিচ্ছে। মধ্য ডিসেম্বরেও তামপাত্রা অন্য বছরের তুলনায় কমেনি সেভাবে। এর মধ্যে তিন দিন ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ঘরের বাইরে নিয়ে এসেছে শীতলতা। সেই সঙ্গে নিয়ে এসেছে দুর্ভোগ।

তবে এই নিম্নচাপের কারণেই আবার স্বাভাবিক শীত আসতে দেরি হয়েছে। উত্তরের শীতল হাওয়া আসার পথ বন্ধ করে দিয়েছে বঙ্গপোসাগরের এই গভীর নিম্নচাপ।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে সোমবার সারাদিন আকাশ মেঘলা থাকবে, দিনের শেষে আকাশ কিছুটা পরিষ্কার হয়ে উঠতে পারে বলে ঢাকাটাইমসকে জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ।

রশিদ জানান, নিম্নচাপটি গভীর সমুদ্র থেকে উপকূলে এসে ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। নিম্নচাপটির প্রভাব কমায় দুপুরের পর থেকেই আকাশ মোটামুটি অনেকটা পরিষ্কার হবে। আর এর প্রভাব কেটে গেলে তাপমাত্রা অনেকটা কমে যাবে, তখন স্বাভাবিক শীতের আমেজ অনুভূত হবে।

সোমবার সকাল ছয়টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ রূপে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

এর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নাই। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।

রংপুর ও রাজশাহীতে রাতের তাপমাত্রা ২৪ ঘণ্টায় হ্রাস পেতে পারে এবং দেশের অন্যত্র তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও পূর্বাভাসে জানান হয়েছে।

নিম্নচাপের প্রভাব কেটে যাওয়ার পর বাতাসের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে, তাতে তীব্রতা বাড়বে শীতের। আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে ৩০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

Share Now
April 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930