আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আনা এই মামলার শুনানি ছিল। নন্দীগ্রামের বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচন বাতিল করা হোক। বিচারপতি কৌশিক চন্দের আদেশে সকালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভার্চ্যুয়ালি আদালত হাজিরা দেন। মমতার আইনজীবী, সাংসদ অভিষেক মানু সিংভি প্রথমেই এই মামলা বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাশ থেকে অন্যত্র সরানোর আর্জি ফের জানান। অভিষেক মানু সিংভির বক্তব্য ছিল, কৌশিক চন্দ বিজেপির লিগ্যাল সেলের প্রধান ছিলেন তার এই মামলার বিচার করা উচিত নয়। বিচারপতি পাল্টা প্রশ্ন করেন, তিনি কি করে জানলেন যে, তিনি সক্রিয় বিজেপি করেন? অভিষেক মানু সিংভি বলেন, ভোটের আগে তাকে বিজেপির রাজ্য সভাপতির সঙ্গে বহু সভায় দেখা গেছে। বিচারপতি চন্দ জানান, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি যখন মামলাটি এই এজলাশ থেকে সরাননি তখন মামলা এখানেই হবে। অবশ্য শেষ পর্যন্ত শুনানির শেষে রায়দান স্থগিত রেখেছেন বিচারপতি চন্দ।
