পুরনো মিলিয়ে মোট ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৬০ জন মিয়ানমার সেনা, বিজিপি ও রাখাইন উগ্রবাদী জনগোষ্ঠীর গণহত্যার শিকার রোহিঙ্গারা নতুন । এর মধ্যে মঙ্গলবার পর্যন্ত ৬ লাখ ৯০ হাজার হাজার ৫৮৮ জন রোহিঙ্গা নারী,পুরুষ,শিশুর বায়োমেট্রিক (আঙ্গুলের ছাপ) পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হয়েছে। এমন তথ্য জানা গেছে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে।

কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি)’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নিপীড়নের মুখে ২৫ আগস্টের পর থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সংখ্যা ৬ লাখ ৩৫ হাজার। এ ছাড়া আগের ২ লাখ ৪ হাজার ৬০ জন মিয়ানমার নাগরিক বাংলাদেশে অবস্থান করছে। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে অনুপ্রবেশ অব্যাহত থাকায় রোহিঙ্গাদের সংখ্যা বাড়ছে বলেও জানিয়েছে আরআরআরসি মোঃ আবুল কালাম।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমার নাগরিকদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭টি ক্যাম্পের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধন কাজ এগিয়ে চলছে। পাসপোর্ট এন্ড ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর নিবন্ধন কাজ বাস্তবায়ন করছে।

মঙ্গলবার বিকেলে নিবন্ধন কার্যক্রমের দায়িত্বে নিয়োজিত পাসপোর্ট এন্ড ইমিগ্রেশন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু নোমান মোহাম্মদ জাকের হোসেনের সাথে আলাপ করা হলে তিনি জানান, আগে তুলনায় নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে খুব নগন্য সংখ্যক রোহিঙ্গা।

তিনি বলেন, হয়তো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গারা বিচ্ছিন্ন ভাবে নিবন্ধনের জন্য আসতে থাকায় সংখ্যায় একটু কমেছে। তবে নিবন্ধন কার্যক্রম চলতে থাকবে বলে তিনি জানান।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031