ড.মাহমুদ হাসান আর নেই চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত সদস্য, মালয়েশিয়া আ.লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আ.লীগের সদস্য, দানবীর। তিনি গত রাত সাড়ে তিনটার সময় আকস্মিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হয়ে চট্টগ্রাম নগরীর সেভরনে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি…..রাজিউন) । মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পুরো ফটিকছড়ি। তার হঠাৎ চলে যাওয়া কোনভাবেই মানতে পারছে না তার রাজনীতিক অনুসারী, নেতাকর্মী কিংবা সমর্থকরা-শুভাকাঙ্কীরা।
ড.মাহমুদ হাসানের ঘনিষ্ঠজন বলে পরিচিত নাজিরহাট পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেল কান্নাভরা কন্ঠে বলেন, ‘রফিকুল আনোয়ারের পর ফটিকছড়িতে সর্বজন গৃহিত একজন মাটির মানুষকে হারিয়েছে ফটিকছড়িবাসী। আমরা হারিয়েছি যোগ্য একজন অভিভাবককে। ‘
তার অপর এক ঘনিষ্ঠজন মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক হেদায়েত উল্লাহ জানিয়েছেন, দুপুর দু’টায় নগরীর জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে প্রথম জানাজা, বিকাল পাঁচটায় নানুপুর লায়লা কবির ডিগ্রী কলেজ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা শেষে নানুপুরে নিজ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে চীর সমাহিত করা হবে।
উল্লেখ্য, ড.মাহমুদ হাসান গত জাতীয় নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীর সাথে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়েছিলেন। সম্প্রতি জেলা পরিষদের নির্বাচনে সদস্য পদে বিপুল ভোটে জয়ী হন তিনি।
ফটিকছড়ির বহু শিক্ষা প্রতিষ্টানে তিনি নিজ অর্থায়নে একাডেমিক ভবন নির্মাণ করে দিয়েছেন। বহু শিক্ষা প্রতিষ্টান, মসজিদ ও সংঘটনের দাতা সদস্য ও পৃষ্টপোষক ছিলেন তিনি। ফটিকছড়িতে প্রয়াত সাংসদ রফিকুল আনোয়ারের পর একমাত্র ড.মাহমুদ হাসান দানবীর হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
