জাতির পিতা হত্যা মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত খুনিদের স্থাবর সম্পত্তি ও ব্যাংক হিসাব জব্দ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন। পাশাপাশি পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সংসদে সরকার দলীয় এক সাংসদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দুই দেশে ‘ল ফার্ম’ নিয়োগ করার পাশাপাশি সাজাপ্রাপ্ত খুনিদের অবস্থান চিহ্নিত করতে ছবি সম্বলিত তথ্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য। ১৯৯৬ সালে এই হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় এসে এ মামলার নিষ্পত্তি করে। মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ, বজলুল হুদা, মহিউদ্দিন আহমেদ, একেএম মহিউদ্দিন, আজিজ পাশা, নূর চৌধুরী, আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এম রাশেদ চৌধুরী, আব্দুল মাজেদ ও মোসলেম উদ্দিন। এদের মধ্যে নূর চৌধুরী, আব্দুর রশিদ, শরিফুল হক ডালিম, এম রাশেদ চৌধুরী, আব্দুল মাজেদ ও মোসলেম উদ্দিন পলাতক রয়েছেন।
