মার্কিন গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ’র প্রধান মাইক পম্পেওর উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে গেল সপ্তাহে সাক্ষাত হয়েছে । খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে এই ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, কিম জং উনের সঙ্গে ‘ভালো সম্পর্ক’ গড়ে তুলেছেন পম্পেও। তবে তার আগে গণমাধ্যমই এই সংবাদ জানায় যে, পিয়ংইয়ং-এ গোপন বৈঠক হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে। এই সংবাদ নিশ্চিত করে ট্রাম্প আরও বিশদ জানালেন। তিনি বলেন, ওই গোপন বৈঠক ‘বেশ মসৃণভাবে’ শেষ হয়েছে।
পম্পেওর আগে শেষবার শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তা হিসেবে উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে সাক্ষাত করেন মেডেলিন অলব্রাইট। বিল ক্লিনটনের আমলে অলব্রাইট ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি সেবার উত্তর কোরিয়া সফরে গিয়ে সাক্ষাত করেন দেশটির তৎকালীন নেতা কিম জং-ইলের সঙ্গে, যিনি বর্তমান নেতার পিতা। এছাড়া ২০১৪ সালে বারাক ওবামার সময়ে ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের প্রধান জেমস ক্ল্যাপার গোপনে উত্তর কোরিয়া সফর করেন। তিনি উত্তর কোরিয়ায় আটককৃত দুই মার্কিন নাগরিকের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে দেশটিতে গিয়েছিলেন। তবে তখন কিম জং উনের সঙ্গে তার সাক্ষাত হয়নি। গত মাসে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বৈঠকের প্রস্তাব গ্রহণ করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে চমকে দিয়েছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। সত্যি সত্যি শেষ পর্যন্ত ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে, তা হবে উত্তর কোরিয়ার কোনো নেতার সঙ্গে প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাত। ট্রাম্প বলেছেন, জুনের প্রথম দিকে বা তারও কিছুটা আগে বৈঠক হতে পারে। এছাড়া বৈঠকস্থল হিসেবে বেশ কয়েকটি স্থান বিবেচনায় রয়েছে। বিশ্লেষকরা অনুমান করছেন, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার অসামরিকীকৃত অঞ্চল, তৃতীয় কোনো এশিয়ান বা নিরপেক্ষ কোনো ইউরোপিয়ান দেশে এই বৈঠক হতে পারে।
