বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম সীমান্ত হত্যা শূণ্যের কোঠায় আনতে হলে সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে অর্থনৈতিকভাবে ও শিক্ষার মাধ্যমে উন্নত করে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন । আজ সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে সকাল ৯টায় পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তরে রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এ দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। বিজিবি’র সাফল্য ও ব্যর্থতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে সারা বিশ্ব টেকনোলজির দিক দিয়ে এগিয়ে গেছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশও এগিয়ে যাচ্ছে। টেকনোলজির সঙ্গে বিজিবিকে এগিয়ে নিতে হলে বাহিনীতে আধুনিক টেকনোলজি স্থাপন করা প্রয়োজন। এছাড়াও বিজিবির সকল সদস্যের প্রয়োজন টেকনোলজিক্যাল প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা। আমাদের দেশের সীমানায় কিছু স্থান এখনও অরক্ষিত রয়েছে।
অরক্ষিত জায়গাতে বিওপি স্থাপণ করা গেলেও সীমান্তে হত্যাসহ নানা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। সীমান্তহত্যা শূণ্যের কোঠায় আনতে সীমান্তবর্তী জনগণকে অর্থনৈতিকভাবে ও শিক্ষার মাধ্যমের উন্নত করতে হবে।
বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, প্রতিবার বিজিবি দিবস খুব জাকজমকভাবে উদযাপন করা হয়। এবছর করোনা পরিস্থিতির কারণে সীমিত আকারে দিবসটি পালন করছি আমরা।
তিনি বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিজিবি’র পক্ষ থেকে ১০০ জেলেকে নৌকা দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের মাছ ধরার জন্য জাল দেয়া হবে। দেশের জেলেরা দাদনের ফেরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। জেলেরা যাতে দাদন থেকে মুক্ত হয়ে নিজেরা নিজেদের জীবিকা রাখতে পারে সেজন্য আমরা এই কর্মসূচী শুরু করেছি।
সীমান্তহত্যা বন্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিজিবি ডিজি বলেন, সীমান্ত হত্যার বিষয়ে আমরা উভয় দেশের সঙ্গে আলোচনা করছি। সীমান্ত হত্যা শূণ্যের কোটায় আনতে আমরা কূটনৈতিকভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এছাড়াও সীমান্তবর্তী এলাকার জনগণকে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে সচেতন করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ না করেন।
