বৃটেনে আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠি রয়েছে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার পর লন্ডনই স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই ভুমিকা রেখেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, যে বৃটেনে স্বাধীনতার বীজ বোপন হয়েছে, সেই বৃটেনে বসে এখন স্বাধীনতার বীজ উৎপাটন করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে অনেকে। আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘ওয়ার্ল্ড কনফারেন্স সিরিজি ২০১৯’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনাবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন সেন্টার ফর এনবিআর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। এখন আমাদের দরকার অর্থনৈতিক অগ্রগতি। ইতিমধ্যে দেশ অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের অর্থনীতির তিনটি অনুসঙ্গ রয়েছে। প্রথমত: কৃষি। বর্তমানে কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে। দ্বিতীয়ত: রপ্তানীমুখী শিল্প। এ জন্য আমরা শ্রমিক ভাইদের ওপর কৃতজ্ঞ। আরেকটি অনুসঙ্গ হলো বিদেশি রেমিটেন্স। আমাদের দেশের যারা বিদেশে কাজ করেন তাদের পাঠানো রেমিটেন্স।
এম এ মান্নান বলেন, এই তিনটির ওপর আমাদের অর্থনীতি নড়াচড়া করছে। বিদেশে কর্মরত প্রবাসী কর্মীদের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, একজন রেমিটার যে অর্থ আয় করেন, তার তার পুরোটাই দেশে পাঠান। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে পাই। যেসব দেশে আমাদের কর্মীরা কাজ করছেন, সেসব দেশে তাদের সেবার জন্য দূতাবাসের কার্যক্রম ২৮ ঘন্টা খোলা রাখার জন্য দূতাবাস কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, লন্ডনের স্পিকার (এলবিটিএইচ) আয়াশ মিয়াসহ বিভিন্ন দেশের অনাবাসী বাংলাদেশিরা। সভাপতিত্ব করেন, সেন্টার ফর এনবিআর-এর চেয়ারপারসন এমএস সেকিল চৌধুরী।
