বিএনপি’র সভাপতি রামু উপজেলা , খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম ফেরদৌস সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। গতকাল রবিবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের সময় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি…..রাজিউন)। গত শনিবার সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরে ঝাউতলা এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী এসএম ফেরদৌস দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিক তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রবিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। আছরের নামাজের পর রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পূর্ব ধেছুয়া পালং (মরিচ্যা চেকপোস্ট) আল হাসান মাদ্রাসা মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজাশেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল চালিয়ে কক্সবাজার শহরের টেকপাড়াস্থ বাসায় যাচ্ছিলেন রামু উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এস এম ফেরদৌস। শহরে প্রধান সড়কের ঝাউতলা এলাকায় একটি ইজি বাইকের সাথে ধাক্কা লাগে তার মোটরসাইকেলটি। এতে চলন্ত মোটর সাইকেলসহ তিনি ব্রিজের রেলিংয়ের ওপর ছিটকে পড়েন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ৬২ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, এক ভাই, চার বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়–স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে যান। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়–স্বজন ও রাজনীতিক–সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে।
এসএম ফেরদৌস রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে পূর্ব ধেচুয়া পালং এলাকার মরহুম মো. হাসান মাস্টারের বড় ছেলে। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় এম এ ডিগ্রি অর্জন করেন। বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে ১৯৯২ সালে খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি, দু’বার রামু উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক, পরে উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং কক্সবাজার জেলা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর পিতা মরহুম মো. হাসান মাস্টারও খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
কোন স্বজন আসেনি লাশ নিতে

Share Now
January 2026
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031