১৪ দলীয় জোটের নেতারা আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিজয় ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে জানিয়েছে । তারা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আর আগামী নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানের বাইরের কিছূ মেনে নেবে না ১৪ দল। গতকাল মতিঝিল টিএন্ডটি কলোনি মাঠে আয়োজিত জনসভায় তারা এসব মন্তব্য করেন।
বিএনপি-জামায়াত জোটের অব্যাহত মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এ জনসভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। প্রধান অতিথি ছিলেন ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম।
মোহাম্মদ নাসিম আরও বলেন, ১৪ দলের পক্ষ থেকে বলতে চাই-আলাচনা করবেন। তবে সংবিধানের বাইরে আলোচনা করে কোন লাভ হবে না। আমরা শান্তি চাই। বাংলার জনগণ শান্তি চায়। উন্নয়ন চায়। শেখ হাসিনার দরজা সব সময় খোলা ছিলো,এখনও আছে। কিন্তু ১৪ দল সংবিধানের বাইরে কিছূ মেনে নেবে না। মেনে নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না। বাংলার জনগণও মেনে নেবে না। তিনি বলেণ, সামনে নির্বাচন।
যে উন্নয়ন শেখ হাসিনা করেছেন তা যদি ধরে রাখতে হয় তাহলে নৌকার কোন বিকল্প নাই। নৌকাকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনে আপনারা ভোট দেবেন। আগামী ডিসেম্বরে ইনশাআল্লাহ নির্বাচন হবে। তিনি বলেন, ওয়ান ইলেভেনের সময় ড. কামাল হোসেন সংবিধানের বাইরে গিয়ে চট্রগ্রামে বলেছিলেন, এই ওয়ান-ইলেভেনের সরকার অনন্তকাল চলতে পারে। তখন সংবিধান কোথায় ছিল ড. কামাল হোসেন সাহেব। ব্যারিস্টার মঈনুল হোসেন বেঈমান, বিশ্বাসঘাতক। তার সঙ্গে আপনারা হাত মিলিয়েছেন। ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় তিনি মামলা করেছিলেন কার বিরুদ্ধে? শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। শেখ হাসিনা হাইকোর্ট থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আর খালেদা জিয়া সেই মামলায় জেল খাটছেন। আপনাদের লজ্জা থাকা উচিত। যে ব্যক্তি মামলা করেছিল আজ তার সঙ্গে একমঞ্চে বসে হাত মিলিয়েছেন আপনারা।
