১৮ তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলগুলোর মধ্যে ক্ষমতাশালী ২৫টি দেশের মধ্যে । অস্ট্রেলিয়ার ‘থিংক ট্যাংক’ খ্যাত লোয়ি ইনস্টিটিউট প্রকাশিত ‘এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্স’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রায় ২৫টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে এ সূচক পরিমাপ করে লোয়ি ইনস্টিটিউট। এশীয় প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চল ছাড়িয়ে পশ্চিমে পাকিস্তান, উত্তরে রাশিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও বিস্তৃত হয় এ সূচক।

একটি দেশের সামগ্রিক ক্ষমতা ৮টি মানদণ্ডে বিবেচনা করা হয়। এগুলো হল অর্থনৈতিক সম্পদ, সামরিক সক্ষমতা, স্থিতিশীলতা, ভবিষ্যৎ প্রবণতা, কূটনৈতিক প্রভাব, বাণিজ্যিক সম্পর্ক, প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব। ২৫ টি দেশের মধ্যে ১০০র মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ৮ দশমিক ৭।

লোয়ি ইন্সটিটিউটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির মাত্রা ১৪১ শতাংশের মধ্যে হবে যা অর্থনৈতিক আয়তনের দিক দিয়ে তাইওয়ানকে ছাড়িয়ে যাবে।

বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রভাব দেখা গিয়েছে ভবিষ্যৎ প্রবণতা পরিমাপে। এ সূচকে ৫ দশমিক ১ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম। তবে বাণিজ্যিক সম্পর্কে বাংলাদেশের স্কোর সবচেয়ে কম যার কারণে এ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ২৩ তম।

এ সূচকে ৪১ দশমিক ৫ স্কোর নিয়ে প্রতিবেশি দেশ ভারতের অবস্থান ৪র্থ। প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের সূচকে অগ্রগতির কারণে ভারতকে এ প্রতিবেদনে ‘জায়ান্ট অব ফিউচার’ বলা হয়েছে। এদিকে ক্ষমতার সূচকের সবচেয়ে নিচে অবস্থান করছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ নেপাল।

লোয়ি ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, বিশ্বের চারটি বড় অর্থনীতির ৩টি এশিয়াতে অবস্থান করে। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ সূচকে প্রথম অবস্থান করে প্রশান্ত মহাসাগরীয় ক্ষমতার বিস্তার বিচারে।

দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চীন। চীনকে উঠতি মহাশক্তিশালী দেশ বলা হয়েছে সূচক প্রতিবেদনে। তৃতীয় জাপান ও চতুর্থ ভারতের মধ্যে ক্ষমতার দিক দিয়ে পার্থক্য খুবই সামান্য।

সংস্থাটির দাবি, ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যার দুই তৃতীয়াংশ এশিয়াতে বাস করবে।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031