সিএনজি অটোরিকশাচালক সিদ্দিক মিয়া হত্যা মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে ২৯ জন আসামি কারাগারে গেলেন কিশোরগঞ্জের ভৈরবে । হত্যায় ঘটনায় নিহতের ভাই রইছ উদ্দিন বাদী হয়ে ৫২ জনকে আসামি করে ভৈরব থানায় একটি মামলা করে। এই মামলায় তারা এতদিন জামিনে ছিলেন।
এই মামলার পাঁচ আসামি হাইকোর্ট থেকে জামিনে আছেন। এরা হলেন- আনোয়ারুল হক, রাজন মিয়া, মুছা মিয়া, শুকুর মিয়া ও জসীম উদ্দিন। মামলার প্রধান আসামি ভৈরব উপজেলার সাদেকপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাফায়েত উল্লাহ ও তার ভাই আল- আমিন এবং ছেলে রাহিমকে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়ায় বাদী আজ আদালতে দাখিলকৃত চার্জশিটে নারাজি দেন। নারাজির বিষয়টি আগামী ধার্য তারিখে শুনানি হবে বলে আদালতের আইনজীবী জহিরুল হক জানান।
২০১৮ সালের ১৫ জুলাই ভৈরব উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মেন্দিপুর এলাকায় সিএনজির ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি নিয়ে প্রতিপক্ষরা চালক সিদ্দিক মিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় রইছউদ্দিন, স্বপ্না বেগম, নিজাম উদ্দিন ও আ. রাজ্জাক নামে চারজন গুরুতর আহত হন। এই ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে এলাকার সাদেকপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাফায়েত উল্লাহসহ ৫২ জনকে আসামি করে ভৈরব থানায় একটি মামলা করেন।
মামলার বাদী রইছ উদ্দিন জানান, খুনের পরিকল্পনাকারী ও মামলার প্রধান আসামি চেয়ারম্যান সাফায়েত উল্লাহকে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। আমি মনে করি, সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামির সাথে প্রভাবিত হয়ে এ কাজটি করেছে। তাই নারাজি দিয়েছি এবং আমি আদালতে মামলাটির পুনঃতদন্ত দাবি করছি।
কিশোরগঞ্জ সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক তারা মিয়া জানান, ঘটনা তদন্ত করে খুনের ঘটনায় চেয়ারম্যানসহ তিনজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। তাই তিনজনকে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়। বাদী নারাজি দিলে আদালতের পরবর্তী আদেশের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবে।
