ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হল শিশুর। নয় মাসের শিশু কন্যাকে কোলের মধ্যে জাপটে ধরে রেখেছিলেন মা। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। দুধের শিশুকেও ছাড় দিল না ওরা। ভয় পেয়ে হঠাৎ কেঁদে ওঠায় চলন্ত অটোরিকশা থেকেই তাকে টান মেরে ছুড়ে ফেলে দেয়া হলো। তারপরে গণধর্ষণ করা হল ২৩ বছরের ওই তরুণীকে।
ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির কাছে গুরুগ্রামে। ২৯ মে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল মডেল টাউনশিপ (আইএমটি) মানেসরের বাসিন্দা ওই তরুণীর। পারিবারিক অশান্তির জেরে ঐ দিন রাতে বাপের বাড়ি যাওয়ার জন্য মেয়েকে নিয়ে বেরিয়েছিলেন ওই তরুণী।
তরুণীর অভিযোগ, তিনি যখন দিল্লি-গুরুগ্রাম এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন সেই সময় এক অটো চালক তাকে লিফট দেয়ার প্রস্তাব দেন। অটোতে আরও তিনজন যুবক ছিল। অটোয় ওঠার পর থেকেই তারা ওই তরুণীর সঙ্গে অশালীন ব্যবহার শুরু করে। এমনকী তাকে যৌন হেনস্থাও করা হয়। এতেই বাধা দেন ওই তরুণী।
ধস্তাধস্তির মধ্যে ভয় পেয়ে যায় শিশুটি। হঠাৎই সে কাঁদতে শুরু করলে চালক চলন্ত অটো থেকেই তাকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দেয়। মাথায় মারাত্মক আঘাত লেগে ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশুটি। এরপরেই অটোরিকশার মধ্যে থাকা তিন যুবক গণধর্ষণ করে ওই তরুণীকে।পরে দিল্লি-গুরুগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ের পাশ থেকেই উদ্ধার করা হয় তাকে।
সোমবার গুরুগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী।
গুরুগ্রামের পুলিশ কমিশনার সন্দীপ খিরওয়ার জানান, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে অভিযুক্তদের কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা
