বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আগামী ১৮-২০শে ডিসেম্বরের মধ্যে দিল্লিতে অভ্যর্থনা জানাতে পারে। দিল্লি এই আমন্ত্রণকে ভারতের অন্যতম ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক সমন্বিত করার আরেকটি পদক্ষেপ হিসেবেই দেখছে। দিল্লি আশা করছে যে, এই আসন্ন সফরের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে নেয়া অবস্থানকে শক্তিশালী এবং এই অঞ্চলে কানেক্টিভিটির লিঙ্ক আরো সম্প্রসারিত করা সম্ভব হবে।
গতকাল দি ইকোনমিক টাইমস জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন্ন সফরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য হাইলাইট হবে সেখানে ১৯৭১ সালের যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় সামরিক বাহিনীর বীরদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা। এই উপলক্ষ্যটির আয়োজনকালে ঢাকা বিজয় দিবস উদযাপন করবে।
শেখ হাসিনার আসন্ন সফরটি ডিসেম্বরের ৩-৪ তারিখে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই সফরকে অধিকতর বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে তা পিছিয়ে দেয়া হয়। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ওয়াকিবহাল সূত্র ইকোনমিক টাইমসকে ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এই সফরকালে কতিপয় ডিল সম্পাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনার দিল্লি সফরের এজেন্ডা আলোচনার জন্য গত সপ্তাহে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক দিল্লি সফর করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শেখ হাসিনার মধ্যে আলোচনাকালে দুদেশের মধ্যে পানি ভাগাভাগিসহ প্রস্তাবিত কিন্তু দীর্ঘ প্রতীক্ষিত তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি মুখ্য আলোচ্য বিষয় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এটা আশা করা হচ্ছে যে, গঙ্গা নদীর উপর বাঁধ নির্মাণে বাংলাদেশ ভারতের সমর্থন আশা করতে পারে।
উল্লেখ্য যে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী প্রচন্ড প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দু’বার ভারত সফর করেছেন। চলতি বছরের গোড়ায় প্রধানমন্ত্রী প্রচন্ডর পূর্বসূরিও দিল্লি ঘুরে গেছেন। শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি  ও প্রধানমন্ত্রী একাধিক ভারত সফর সম্পন্ন করেছেন। এমনকি আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি দু’বছরের কম সময়ের ব্যবধানে দু’বার দিল্লিতে এসে গেছেন। অথচ শেখ হাসিনা ভারত সফরে এই সময়ে একবারও আসেননি।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031