যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বছরে চীনের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে। এ মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের হাউজটনে সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইয়ং ওয়েনের। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার সাক্ষাত হবে কিনা তা স্পষ্ট নয়। তবে এমন সম্ভাবনার পক্ষেই কথা বলেছেন ট্রাম্প। যদি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার কথা হয়, সাক্ষাত হয় তাহলে তাতে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে টান পড়তে পারে আরও। শুধু তা-ই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার হ্যাকিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ট্রাম্প। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাব্যতাকে উন্মুক্ত রেখেছেন ডনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার তিনি এসব নিয়ে কথা বলেন। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইয়ং ওয়েনের যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে আগামী ৭ই জানুয়ারি। ওইদিন তিনি হাউজটনে থাকবেন। তারপর আবার ১৩ই জানুয়ারি থাকবেন সান ফ্রান্সিসকোতে। এ সময়ে তার সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেন নি ট্রাম্প। তিনি তার মার-এ-লাগো এস্টেটে নতুন বর্ষ বরণের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাত করবেন কিনা। জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমরা বিষয়টি দেখবো। পরে সাংবাদিকদের পীড়াপীড়িতে তিনি বলেন, প্রটোকল অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যতদিন ক্ষমতায় থাকবেন ততদিন বিদেশী কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে তিনি সাক্ষাত করবেন না। উল্লেখ্য, গত ৮ই নভেম্বর নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার অল্প পরেই ট্রাম্পকে ফোন করেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট। তিনি তাকে অভিনন্দন জানান। ট্রাম্প ওই ফোন ধরার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করে চীন। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের গড়ে উঠেছে ‘ওয়ান-চায়না’ নীতি। এ সম্পর্ক কয়েক দশক ধরে চলছে। কিন্তু তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলার কারণে বেইজিং ক্ষুব্ধ হয়। এখন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রাবিরতি নিয়ে ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কে আরও বড় ধরনের ফাটল ধরতে পারে। পররাষ্ট্র নীতিতে ট্রাম্প আরও একধাপ এগিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হ্যাকিংয়ের জন্য রাশিয়াকে দায়ী করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এমন হ্যাকিংয়ের বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ আছে বলে দাবি করলেও ট্রাম্প বলেন, আমরা মনে করি এটা ঠিক না। এটা হতে পারে (রাশিয়া বাদে) অন্যকেউ। যেকোনো কম্পিউটারই হ্যাক হতে পারে। কোনো কম্পিউটারই নিরাপদ নয়। তাই তারা যা বলছে তাতে আমি পরোয়া করি না।
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | |||
| 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 |
| 12 | 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 |
| 19 | 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 |
| 26 | 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | |
