সকাল সাড়ে আটটায় ল্যাব এইডের হিমঘর থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশ নেয়া হয়েছে তেজগাঁও বিমানবন্দরে। সেখানে থেকে একটি হেলিকপ্টারে করে লাশ সিলেট হয়ে নেয়া হবে সুনামগঞ্জে।
সদ্য প্রয়াত আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের লাশ নিয়ে সিলেটের পথে রওনা হয়েছে তার স্বজনরা। তাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাও আছেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের লাশের সঙ্গে সুনামগঞ্জে যাচ্ছেন তার ছেলে সৌমেন সেনগুপ্ত,খালাতো ভাই জয়ন্ত সেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ, আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ, আহমদ হোসেন। কিন্তু মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় সুরঞ্জিতের স্ত্রী জয়া সেনগুপ্ত ও তার পুত্রবধূ যাচ্ছেন না।
জানা গেছে, হেলিকপ্টারে করে প্রথমে লাশ নেয়া হবে সিলেটে। এরপর তা নেয়া হবে সুরঞ্জিতের নিজ জেলা সুনামগঞ্জে। দুপুর একটার দিকে তাঁর নির্বাচনী এলাকা শাল্লা এবং বিকাল তিনটায় দিরাই উপজেলায় সাধারণ মানুষ তাদের নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর দিরাইয়ে হবে তাঁর শেষকৃত্য। শেষকৃত্যের আগে মুক্তিযোদ্ধা সুরঞ্জিতকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হবে।

গতকাল রবিবার ভোর চারটা ২৪ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। সকালে লাশ জিগাতলার নিজ বাসভবনে নেয়ার পর সেখানে এক দফা শ্রদ্ধা জানায় বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
পরে লাশ নেয়া হয় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে। সেখানে রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ, পূজা উদযাপন পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন শ্রদ্ধা জানায়।
দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে লাশ নেয়া হয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। সেখানে বর্ষীয়ান নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ, ১৪ দলের নেতারাসহ বিভিন্ন সংগঠন।
