এক ভূঁয়া সাংবাদিক কক্সবাজার শহরের সদর ভূমি অফিসে চাঁদাবাজি করতে এসে হাতেনাতে ধরা পড়লেন সাইমুম সরওয়ার কাইয়ুম (২৪) নামে। চাঁদার দাবি করে সরকারী কার্যসম্পাদনে বাধা প্রদানের অপরাধে তাকে ১ মাসের জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
বুধবার সন্ধ্যায় তাকে হাতে নাকে আটক করে এক মাসের জেল দেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পঙ্কজ বড়ুয়া। ওই ভূয়া সাংবাদিক নিজেকে ‘চ্যানেল এস’ এর প্রতিনিধি দাবী করেন। তার সাথে ‘চ্যানেল এস’ এর লগু (মাইক্রোফোন) ও আইডি কার্ড পাওয়া যায়। আটক সাইমুম সরওয়ার কাইয়ুম সদর উপজেলা ঈদগাঁহ ইসলামাবাদের পূর্ব গোমাতলীর মোঃ নুরুল আলমের ছেলে।
নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেটের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, এই যুবক বেশ কিছু দিন ধরে এই অপকর্ম করে আসছে। তিনি ভূমি অফিস ছাড়াও ঈদগাঁহসহ বিভিন্ন ভূমি অফিসে গিয়ে চাঁদাবাজি করেছে। শুধু তিনি’ই ভূয়া সাংবাদিক নয় তার ওই চ্যানেলেরও কোন (চ্যানেল এস) সন্দান পাওয়া যায়নি। এই ভূয়া সাংবাদিক বুধবার বিকালে সদর ভূমি অফিসে এসে কর্মকর্তাদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছিল। আর বলছিল তারা যা করছে সবই অপরাধ। পরে ওই অফিসের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে ভ্রাম্যমান আদালতে খবর দেয়। এছাড়া তাদের পরিচিত সাংবাদিকদেরও খবর দেয়। আর প্রমানিত হয় তিনি ভূয়া সাংবাদিক আর তার চ্যানেলটিও ভূয়া। সরকারী কার্যসম্পদনে বাধা দেওয়ায় ১৮৬০ এর ১৮৬ ধারায় তাকে এক মাসের জেল দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে আটক সাইমুম সরওয়ার কাইয়ুম বলেন, তিনি ৮০ হাজার টাকা দিয়ে এই চ্যানেলের (চ্যানেল এস) প্রতিনিধিত্ব নিয়েছেন। গত এক বছর ধরে তিনি এই চ্যানেলের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু এই বিপদের সময় তাকে কোন ধরনের সহযোগিতা করছেনা তার অফিস।
বুধবার সন্ধ্যায় তাকে হাতে নাকে আটক করে এক মাসের জেল দেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট পঙ্কজ বড়ুয়া। ওই ভূয়া সাংবাদিক নিজেকে ‘চ্যানেল এস’ এর প্রতিনিধি দাবী করেন। তার সাথে ‘চ্যানেল এস’ এর লগু (মাইক্রোফোন) ও আইডি কার্ড পাওয়া যায়। আটক সাইমুম সরওয়ার কাইয়ুম সদর উপজেলা ঈদগাঁহ ইসলামাবাদের পূর্ব গোমাতলীর মোঃ নুরুল আলমের ছেলে।
নিবার্হী ম্যাজিষ্ট্রেটের দেওয়া তথ্যে জানা যায়, এই যুবক বেশ কিছু দিন ধরে এই অপকর্ম করে আসছে। তিনি ভূমি অফিস ছাড়াও ঈদগাঁহসহ বিভিন্ন ভূমি অফিসে গিয়ে চাঁদাবাজি করেছে। শুধু তিনি’ই ভূয়া সাংবাদিক নয় তার ওই চ্যানেলেরও কোন (চ্যানেল এস) সন্দান পাওয়া যায়নি। এই ভূয়া সাংবাদিক বুধবার বিকালে সদর ভূমি অফিসে এসে কর্মকর্তাদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছিল। আর বলছিল তারা যা করছে সবই অপরাধ। পরে ওই অফিসের কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে ভ্রাম্যমান আদালতে খবর দেয়। এছাড়া তাদের পরিচিত সাংবাদিকদেরও খবর দেয়। আর প্রমানিত হয় তিনি ভূয়া সাংবাদিক আর তার চ্যানেলটিও ভূয়া। সরকারী কার্যসম্পদনে বাধা দেওয়ায় ১৮৬০ এর ১৮৬ ধারায় তাকে এক মাসের জেল দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে আটক সাইমুম সরওয়ার কাইয়ুম বলেন, তিনি ৮০ হাজার টাকা দিয়ে এই চ্যানেলের (চ্যানেল এস) প্রতিনিধিত্ব নিয়েছেন। গত এক বছর ধরে তিনি এই চ্যানেলের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু এই বিপদের সময় তাকে কোন ধরনের সহযোগিতা করছেনা তার অফিস।
