জঙ্গিবাদে স্বামী, নিকটাত্মীয় এবং শিক্ষকদের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে নারীরা জড়িয়ে পড়ছে । বিভিন্ন সময় গ্রেফতার হওয়া নারী জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। সাম্প্রতিক সময়েও বেশ কয়েক নারী জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া পুলিশি অভিযানে আত্মঘাতী হামলায় আহত কিংবা নিহত হয়েছে কেউ কেউ। নারীদের জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়াকে দেশের জন্য অশনি সংকেত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
২০ মার্চ সোমবার ‘কেন জঙ্গি হচ্ছে নারী’ শিরোনামে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত এক সংবাদে এই তথ্য উঠে এসেছে।
নারীরা জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়াকে মারাত্মক হুমকি ও অশনি সংকেত মনে করেন সামরিক বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘একটা সময় জঙ্গি বলতে শুধু পুরুষ বোঝাত। তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ফোকাস ছিল পুরুষ। এখন জঙ্গিরা সন্দেহ এড়াতে এবং চলাচল নির্বিঘ্ন করতে নারীদের জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত করছে। এটাই তাদের একটি কৌশল। ’ তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন কেস স্টাডি করে দেখা যায়-বেশির ভাগ নারীই নিকটাত্মীয়দের মাধ্যমে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হচ্ছে। ’ পুলিশের বিশেষায়িত বিভাগ কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবদুল মান্নান বলেন, ‘নারীরা আত্মীয়, বন্ধু এবং শিক্ষকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ছে। শতকরা ৮০ শতাংশ নারী জঙ্গিই স্বামী কিংবা নিকটাত্মীয়দের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে।
