মাইক পেন্স বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কৌশলগত ভাবে ধৈর্য্য ধারণের দিন শেষ।’ রবিবার সিউলে পৌঁছান তিনি এর মাত্র কয়েকঘণ্টা আগেই উত্তর কোরিয়ার একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ব্যর্থ হয়।
মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স সোমবার দুই কোরিয়াকে বিভক্তকারী অসামরিকীকরণ অঞ্চল (ডিএমজেড) পরিদর্শন করেছেন। উত্তর কোরিয়ার নতুন করে চালানো ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ব্যর্থ হওয়ার কয়েক ঘন্টা পর তিনি সেখানে গেলেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা জানায়, আজ যুক্তরাষ্ট্র ও দেশটির সামরিক বাহিনী যৌথ মহড়ায় অংশ নেয়। উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে জবাব দিতে তারাও প্রস্তুত, এটি বোঝাতেই মূলত মহড়ার আয়োজন করা হয়।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট হেলিকপ্টার যোগে ডিএমজেডের মাত্র কয়েকশ মিটার দক্ষিণে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘ কমান্ড কেন্দ্র ক্যাম্প বনিফাসে যান। সেখান থেকে তিনি অস্ত্র বিরতি পালন করা পানমুনজম গ্রামেও যান। এটি বিশ্বের সুরক্ষিত সীমান্তগুলোর অন্যতম। এই গ্রামেই কোরিয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। উল্লেখ্য, কোরীয় যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন পেন্সের বাবাও।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পিয়ংইয়ং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা অনেক বেড়ে গেছে। উত্তর কোরিয়া একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ যাবৎকালের সবচেয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দেয়ার পর তাদের মধ্যে এ উত্তেজনা বেড়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন আন্ত:মহাদেশীয় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র উত্তর কোরিয়া তৈরি করুক তা তিনি মেনে নেবেন না।
হোয়াইট হাউজের বৈদেশিক নীতি বিষয়ক এক শীর্ষ উপদেষ্টা বলেন,উত্তর কোরীয় সমস্যা সমাধানে কূটনৈতিক চাপ বেশি প্রত্যাশিত হলেও মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি থাকবে।
