মার্কিন রণতরীতে নজর রাখতে চীন, রাশিয়ার ‘চরজাহাজ’ কোরীয় উপদ্বীপে ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা। উত্তর কোরিয়ার গতিবিধির উপর নজর রাখতে কোরীয় উপদ্বীপে একাধিক ‘চর’ যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার ট্রাম্পের গতিবিধিতে নজর রাখতে ‘ইন্টেলিজেন্স গ্যাদারিং ভেহিক্যালস’ বা চর যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়েছে চীন ও রাশিয়া।
সম্প্রতি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের লাগাতার অস্ত্র পরীক্ষা ও সামরিক গতিবিধির উপর নজরদারি চালাতে কোরীয় উপদ্বীপে ১০০টি যুদ্ধবিমানসহ কার্ল ভিনসন এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার, ডেস্ট্রয়ার, একটি ক্রুজার ও একটি সাবমেরিন পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
জাপানের সংবাদমাধ্যম জানায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের পরই নড়েচড়ে বসে চীন ও রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের গতিবিধির উপর নজর রাখতে কোরীয় উপদ্বীপে চর বৃত্তি শুরু করেছে চীন ও রাশিয়া।
উত্তর কোরিয়ার উপর হামলা চালানোর তোড়জোড় শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সের বলেন, ‘পিয়ংইয়ং নিয়ে ধৈর্যের সীমা পেরিয়ে গিয়েছে।’
এরপরই ওয়াশিংটনকে রাশিয়া হুঁশিয়ারি দেয়, কোনও রকম হামলা যেন তারা না চালায়। রাশিয়া মনে করে, পিয়ংইয়ংয়ের বারবার পরমানু অস্ত্র পরীক্ষা করা যেমন ঠিক নয়, তেমনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও আন্তর্জাতিক নিয়ম লঙ্ঘন করতে পারে না।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, গত দুইদশক ধরে সিরিয়া ও আফগানিস্তানে শান্তি ফেরানোর নামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে কৌশল নিয়েছে, সেই একই কৌশল উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রে নিতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল রুখতে আগেভাগেই সর্তক হয়েছে চীন ও রাশিয়া। ফলে কোরীয় উপদ্বীপে তৈরি হয়েছে যুদ্ধের আবহ।
