হেলিকপ্টার থেকে গ্রেনেড ছোঁড়া হয়েছে ভেনেজুয়েলার সুপ্রিম কোর্টে । প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো একে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে শহরের ওপর চক্কর মারতে থাকা একটি পুলিশ হেলিকপ্টার দেখা গেছে। এরপরই শোনা গেছে গুলি ও গ্রেনেডের বিকট আওয়াজ। বিবিসির খবরে বলা হয়, এক পুলিশ কর্মকর্তা এই হেলিকপ্টার চুরি করেছেন। তিনিই হামলার সময় এর চালকের আসনে ছিলেন। পরে ইন্সটাগ্রামে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি ‘অপরাধী সরকারে’র নিন্দা জানান। নিজের নাম অস্কার পেরেজ বলে পরিচয় দেন তিনি। তবে বর্তমানে তার অবস্থান জানা যায়নি।
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে ভোগা ভেনেজুয়েলায় অনেকদিন ধরেই গণবিক্ষোভ চলছে। দেশটির বিরোধী দলগুলো নিয়মিতই সুপ্রিম কোর্টের অনেক রায়ের সমালোচনা করে এসেছে। এসব রায়ের ফলে প্রেসিডেন্ট মাদুরোর ক্ষমতাই পোক্ত হয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আদালতে অন্তত চারটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়েছে। এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ১৫টি গুলি চালানো হয়েছে। কেউ হতাহত না হলেও প্রেসিডেন্ট বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে একটি সামাজিক অনুষ্ঠান চলছিল। তাই হামলার ফলে অনেকেই নিহত হতে পারতো। হামলার প্রেক্ষিতে সামরিক বাহিনীকে সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে।
এদিকে সামরিক পোশাকে ভিডিও বার্তা দেন অস্কার পেরেজ নামে ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি ভেনেজুয়েলাবাসীকে ‘স্বৈরশাসনে’র বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তার ভাষ্য, ‘আমরা সামরিক বাহিনীর সদস্য, পুলিশ ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি জোট। আমরা ভারসাম্যের পক্ষে এবং এই অপরাধী সরকারের বিপক্ষে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো রাজনৈতিক দল বা আদর্শের কেউ নই। আমরা জাতীয়তাবাদী, দেশপ্রেমিক ও প্রতিষ্ঠানবাদী।’ পেরেজ দাবি করেন, এই ‘লড়াই’ নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে নয়, বরং সরকারের বিচারহীনতার বিরুদ্ধে।
প্রেসিডেন্ট মাদুরো একে অভ্যুত্থান চেষ্টা হিসেবেও আখ্যা দেন। তবে ওই পুলিশ কর্মকর্তার পেছনে কতজনের সমর্থন আছে, তা স্পষ্ট নয়।
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | ||||||
| 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 |
| 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 |
| 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 | 22 |
| 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 | |
