বাংলাদেশী নাগরিক শ্যামলেন্দু ভৌমিক ভুয়া ডকুমেন্টের ভিত্তিতে কলকাতায় ন্যাশনাল ইন্সস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথি’তে প্রায় তিন দশক ধরে চাকরি করছেন । এ বিষয়টি ধরা পরার পর বিষয়টি নিয়ে এখন নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই)। তারা খতিয়ে দেখছে এমন ভুয়া ডকুমেন্ট ব্যবহার করে আর কোনো বাংলাদেশী নাগরিক ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো চাকরিতে নিয়োজিত আছে কিনা অথবা এমন কোনো চক্রের সন্ধান মেলে কিনা। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডিএনএ ইন্ডিয়া। ভুয়া কাগজে চাকরি নেয়ার এ বিষয়টি সম্প্রতি নজরে আসে। সেন্ট্রাল ভিজিলেন্স কমিশনার কেভি চৌধুরীর কাছে সম্প্রতি অভিযোগ করা হয়, শ্যামলেন্দু ভৌমিক নামে এক বাংলাদেশী নাগরিক তিন দশক ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কলকাতায় ন্যাশনাল ইন্সস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথি’তে চাকরি করছেন ভুয়া কাগজপত্রের ভিত্তিতে। এ প্রতিষ্ঠানটি চলে কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুর্বেদিক মন্ত্রণালয়ের অধীনে। অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশী এই নাগরিক ইন্ডিয়ান সিটিজেনশিপ সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেন নি। তিনি ভারতে প্রবেশ করেছেন এবং ১৯৮৩ সালের ১৯ শে জানুয়ারি নিয়োগ পেয়েছেন কলকাতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক আঞ্চলিক অফিসে। তখন তিনি তার স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করেছেন কলকাতা। এক্ষেত্রে ২৪ পরগনার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্টেটের কাছ থেকে তিনি অনাপত্তি সনদও জমা দিয়েছেন। আরো অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি ১৯৮৭ সালের ২৯ শে এপ্রিল ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব হোমিওপ্যাথিতে একজন জুনিয়র একাউন্টেন্ট নিয়োগ করিয়েছেন। এটা নিয়োগের নিয়ম লঙ্ঘন করে। এ নিয়ে তদন্তে দেখা যায়, শ্যামলেন্দু ভৌমিক বাংলাদেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পাস করেছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে তিনি কলকাতায় ন্যাশনাল ইন্সস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথি’তে নিয়োগ পেয়েছেন।  সিবিআইয়ের তদন্ত কমিটি বলেছে, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা সত্য হিসেবে প্রমাণ মিলেছে। তাই ওই কর্মকর্তাকে অফিসের দায়িত্ব থেকে দূরে রাখতে সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে তিনি বর্তমানের কোনো কর্মকর্তার পদ ব্যবার করে অফিসিয়াল রেকর্ড তৈরি করতে না পারেন। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে শুক্রবার একটি মামলা হয়েছে।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031