অধিকাংশ নিন্মাঞ্চল জলাবদ্ধতায় নাকাল অবস্থা চট্টগ্রাম মহানগরের । কখনো জোয়ারের পানির ঢল, কখনো বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতা। দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না নগরবাসীর। প্রতিনিয়তই অন্তহীন ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রোববার সকাল আটটা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। অতি ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শেখ ফরিদ আহমদ বলেন, ‘ রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ৮৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল কর্ণফুলীতে প্রথম জোয়ার এসেছে ভোর পাঁচটা ৪ মিনিটে এবং দ্বিতীয় জোয়ার আসে বিকেল ৫টা ৪৮ মিনিটে। ’
চট্টগ্রামে রোববার সকালে দিকে শুরু হয় ভারী বর্ষণ। এ সময় নদীতে ছিল জোয়ার। জোয়ারের পানিতে টইটম্বুর ছিল কর্ণফুলী নদী, চাক্তাই খাল ও মহেশখালসহ নগরের ছোট ছোট খালগুলো।
এ সময় নগরের চাক্তাই খাল সংলগ্ন আসাদগঞ্জ, খাতুনগঞ্জ, কোরবানিগঞ্জ এবং আগ্রাবাদ এলাকার এক্সেস রোড, সিডিএ আবাসিক এলাকা, গোসাইলডাঙ্গা, হালিশহর, চান্দগাঁওসহ অনেক এলাকা ডুবে যায়। চাক্তাই খালের পাড় উপচে আসাদগঞ্জে পানি ঢুকে পড়ায় শুটকির আড়তদার ও পাইকারদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। মূল সড়কেও হাঁটু পানি জমে যায়।
আসাদগঞ্জের শুটকি বিক্রেতা বাবুল বণিক বলেন, ‘জোয়ারের পানি এখন আমাদেও বড় সমস্যা। কয়েক দশক ধওে এই সমস্যা থাকলেও এখন বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। প্রতিবছরই লাখ লাখ টাকার শুটকি নষ্ট হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে সবাই স্নুইসগেট ও বেড়ি বাধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু বাস্তবায়ন হয় না। ’
