জুলাই এক মাসে ৪৮ কোটি ৬১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৬৫০ টাকার ইয়াবা, বিয়ার, চোলাই মদ, বিদেশী মদ, গাঁজা, দেশীয় তৈরী এলজি, কার্তুজ ও অন্যান্য চোরাই মালামাল জব্দ করেছে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়ানের জওয়ানেরা নিয়মিত টহল, অভিযান ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে । ১২৫টি চোরাচালান মামলায় ৩৮ জনকে আটক এবং ৩ জনকে পলাতক আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়কের পক্ষে অতিরিক্ত পরিচালক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার জানান “১ জুলাই হতে ৩১ জুলাই পর্যন্ত টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের ১৫টি স্থায়ী ও অস্থায়ী চেকপোস্টে দায়িত্বরত জওয়ানেরা পুরো উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে মালিকসহ ৪ লক্ষ ৪৭ হাজার ৪৪৭ পিস ইয়াবা, মালিকবিহীন ১১ লক্ষ ২১ হাজার ১৪৮ পিসসহ মালিকবিহীন, সর্বমোট ১৫ লক্ষ ৬৮ হাজার ৫৯৫ পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য ৪৭ কোটি ৫ লক্ষ ৭৮ হাজার ৫০০ টাকা। ইয়াবার ৪৫টি মামলায় ২৮ জনকে আটক এবং ১ জনকে পলাতক আসামী করা হয়েছে।
এছাড়া বিয়ারের মালিকবিহীন ১৭টি মামলায় ১৪ লক্ষ ৮৪ হাজার ৭৫০ টাকার বিভিন্ন প্রকার ৫ হাজার ৯৩৯ ক্যান বিয়ার জব্দ করা হয়। মালিকবিহীন চোলাই মদের ৬টি মামলায় ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকার ৪৫০ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়েছে। বিদেশী মদের ৮টি মামলায় ৫ লক্ষ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকার ৩৮৯ বোতল বিদেশী মদ জব্দ করা হয়। ৪টি গাঁজার মামলায় ৫ কেজি গাঁজাসহ ১জনকে আটক এবং মালিকবিহীন ৭.৭ কেজিসহ মোট ৪৪ হাজার ৪৫০ টাকার ১২.৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ প্রতিহতের অভিযানে আনোয়ার প্রজেক্ট, ২নং, ৬নং, ৭নং স্লূইস গেইট এলাকা, লম্বাবিল, তুলাতলি, লম্বাবিল, হউসেরদ্বীপ, কাটাখালি, শাহপরীরদ্বীপ গোলাপাড়া এবং বিআরএম-১৭ এর নিকটবর্তী এলাকা দিয়ে মায়ানমার হতে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকৃত ২২টি নৌকায় মায়ানমার নাগরিক প্রতিহত করা হয়েছে।
অবৈধ অস্ত্রের ১টি মামলায় ২টি দেশীয় তৈরী এলজি, ৩ রাউন্ড কার্তূজ উদ্ধার করে। যার বাজার মূল্য ১২ হাজার ১২০ টাকা। অন্যান্য চোরাই পণ্যের ৪৪টি মামলায় ৪ জনকে আটক এবং ১জনকে পলাতক আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। উদ্ধারকৃত চোরাই পণ্যের মূল্য ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ৯ হাজার ৩৩০ টাকা”।

Share Now
February 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728