কাঁদলেন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মিয়ানমার থেকে পালিয়ে উখিয়া-টেকনাফ সড়কের দু’পাশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের করুণ দশা দেখে । গত কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিতে ভিজছেন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও বহুমুখী নির্যাতন থেকে বাঁচতে রাখাইন ছেড়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা। রাস্তার দু’পাশে অবস্থান নেয়া রোহিঙ্গাদের অসহায়ত্ব ও খাদ্যের জন্য হাহাকার দেখে তিনি নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। কেঁদেছেন টেকনাফ-উখিয়া থেকে একাধিকবার নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদি সিআইপি।
১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে উখিয়া-টেকনাফ সড়কের দু’পাশে রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখে নিজের চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এসময় তিনি রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। তিনি রোহিঙ্গাদের সাথে সরাসরি আলাপ করেন এবং তাঁদের দুঃখ-দুর্দশার খোঁজ খবর নিয়ে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। তাছাড়া যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কম সময়ের মধ্যে মাথা গোঁজার ঠাঁই, চিকিৎসা সেবা, স্যানিটেশ ব্যবস্থা এবং খাবার নিশ্চিত করতে দায়িত্বশীলদের নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসময় বলেন ‘এখন শুধু একটাই স্লোগান হবে ‘মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে। এ স্লোগান ধারণ করে রোহিঙ্গাদের সেবায় মানবতার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে আওয়ামীলীগসহ সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হলো’।
পরে তিনি কক্সবাজারের টেকনাফ উঞ্চিপ্রাং রইক্ষং এলাকায় আশ্রয় নেয়া কক্সবাজার পৌরসভার উদ্যোগে রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। উঞ্চিপ্রাং, রইক্ষং ছাড়াও তিনি টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, এমপি আলহাজ্ব আবদুর রহমান বদি সিআইপি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, ছাত্রলীগর সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাফর আহমদ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তা, গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
