তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত বুধবার রাত ৯টার দিকে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আব্বাস আলী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে বগুড়ার শেরপুর উপজেলায়। এ ঘটনায় মারুফ হাসান নামে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। আহত মারুফ শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের মহিপুর জামতলা এলাকার মাসুদ রানার ছেলে মারুফ একই এলাকার ডিউকের ছেলে শাকিলের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন বন্ধক নেয়। হঠাৎ মোবাইলে সমস্যা দেখা দিলে গত বুধবার রাতেই শাকিলের কাছে যায় মোবাইলের টাকা ফেরত নিতে। তখন শাকিল টাকা না দিয়ে উল্টো মারুফের মোবাইল কেরে নেয়।
এ নিয়ে শাকিল ও মারুফের কথা কাটাকাটি হয়।
ওই এলাকার ইজার উদ্দিনের ছেলে আব্বাস আলী মধ্যস্ততায় রাতেই একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে উভয়পক্ষের উত্তেজনার এক পর্যায়ে শাকিলের পক্ষে আলামিনের নেতৃত্বে ৫-৬ জন যুবক তাদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের ছুরিকাঘাত করে। এসময় আব্বাস আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত জামতলা এলাকার শফিকুল ইসলাম মিলিটারীর ছেলে শান্তকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।
ওই এলাকার ইজার উদ্দিনের ছেলে আব্বাস আলী মধ্যস্ততায় রাতেই একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে উভয়পক্ষের উত্তেজনার এক পর্যায়ে শাকিলের পক্ষে আলামিনের নেতৃত্বে ৫-৬ জন যুবক তাদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের ছুরিকাঘাত করে। এসময় আব্বাস আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত জামতলা এলাকার শফিকুল ইসলাম মিলিটারীর ছেলে শান্তকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।
