শহরগুলোকে অতিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ করছে জলবায়ু পরিবর্তন, দুর্যোগজনিত সমস্যা ও অযৌক্তিক নগরায়ন। এমন প্রেক্ষাপটে সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে শহরের পরিবেশ আরো খারাপ হবে। আজ রোববার বিকালে ঢাকার ইনিস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস্ বাংলাদেশ ভবনে একশনএইড বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জলবায়ু সহনশীল নগর ঃ বিকল্পের অনুসন্ধান’ বিষয়ে এক অনুষ্ঠানে এমন কথা বলেন জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানের শুরুতেই একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির আলোচ্য বিষয়ে একটি ধারণাপত্র তুলে ধরেন। সেখানে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলি ইতোমধ্যে বাংলাদেশের নগরগুলোতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শুধুমাত্র ২০১৭ সালে বর্ষা মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার সমস্যা ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিভিন্ন স্থানে এবং পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
এই জলাবদ্ধতা ও অতিবৃষ্টির কারণে সাধারণ জনগণের, বিশেষ করে নারীদের ও শিশুদের চলাচল কষ্টকর ও অনিরাপদ হয়ে উঠছে। প্রয়োজনীয় সেবাগুলো, যেমন পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শতকরা ৩৪ শতাংশ মানুষ নগরে বসবাস করে। গত ২০/২৫ বছরে নগরায়ন পরিকল্পিতভাবে হয়নি। যেখানে সেখানে ঘর-বাড়ি উঠে যাচ্ছে। আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় সমস্যা রয়েছে। একইসঙ্গে দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থার অভাব এবং ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা না করে তৈরি অযৌক্তিক ও অনুপযুক্ত নগরায়ন শহরের পরিস্থিতি খারাপ করছে। সাথে যোগ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগজনিত সমস্যাগুলো।
তিনি আরও বলেন, শতকরা ৩৪ শতাংশ মানুষ নগরে বসবাস করে। গত ২০/২৫ বছরে নগরায়ন পরিকল্পিতভাবে হয়নি। যেখানে সেখানে ঘর-বাড়ি উঠে যাচ্ছে। আবর্জনা ব্যবস্থাপনায় সমস্যা রয়েছে। একইসঙ্গে দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থার অভাব এবং ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা না করে তৈরি অযৌক্তিক ও অনুপযুক্ত নগরায়ন শহরের পরিস্থিতি খারাপ করছে। সাথে যোগ হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগজনিত সমস্যাগুলো।
