যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কয়েকদিন আগে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানীর স্বীকৃতি দিয়েছেন । বিশ্বের বহু দেশ ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের প্রতি নিন্দা জানিয়েছে। তবে ভারত এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। ভারত কি ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের পক্ষে না বিপক্ষে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই বলা হয়নি। ইস্যুটিতে তাদের নীরবতা ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন কমে যাওয়ার দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে। এমতাবস্থায় এক ডজন আরব রাষ্ট্রদূত ভারতকে জেরুজালেম নিয়ে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমন কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে বৃটেন, ফ্রান্সসহ বহু দেশ ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতি নিন্দা প্রকাশ করেছে। কিন্তু ভারত কোনো পক্ষ নেয়নি। পরিবর্তে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই বিষয়ে ভারত নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে। তৃতীয় কোনো পক্ষের প্রভাব তাদের ওপর পড়েনি। ওই বিবৃতিতে জেরুজালেমের দিকে কোনো ইঙ্গিত করা হয়নি। উল্টো, এটি সমালোচনার স্বীকার হয়েছে। ভারতেই বিবৃতিটিকে, অপর্যাপ্ত, অস্পষ্ট ও ফিলিস্তিনবিরোধী বলে সমালোচনা করা হয়েছে। ভারত সরকারের এক কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, গত সপ্তাহে নয়া দিল্লিতে নিয়োজিত সৌদি আরব, মিশর, কুয়েতসহ বেশ কয়েকটি আরব দেশের রাষ্ট্রদূতেরা ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরের সঙ্গে দেখা করেন। সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূতেরা আকবরের সঙ্গে ৯ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া এক আরব লীগে বৈঠকে আলোচিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সূত্র আরো জানিয়েছে, তারা ভারত সরকারের কাছ থেকে আরো
পরিষ্কার প্রতিক্রিয়া চায়। তবে আকবর তাদেরকে এ বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেননি। সূত্র জানিয়েছে, জেরুজালেম নিয়ে ভারত সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। নাম না প্রকাশের শর্তে কথা বলা ওই কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, আকবর কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি। উল্লেখ্য, ফিলিস্তিন যখন তাদের নন-এলাইনড মুভমেন্ট চালাচ্ছিল তখন তাদের প্রতি জোর সমর্থন ছিল ভারত সরকারের। পাশাপাশি ইসরাইলের সঙ্গেও নীরবে সম্পর্ক বজায় রেখে চলতো দেশটি। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে ইসরাইলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বেশ খোলাখুলি ও আরো ঘনিষ্ঠ রূপ নিয়েছে। পর্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে এসেছে দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার বন্ধন। হিন্দু জাতীয়তাবাদী মোদি সরকার ইসরাইলকে চরমপন্থি ইসলামিক জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাদের সহযোগী ভাবে। জুলাই মাসে ইসরাইল ভ্রমণ করেন মোদি। এর আগে আর কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইসরাইলে সফর করেননি। এই প্রথমবার কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইসরাইল সফর করেন। কিন্তু, আশ্চর্যজনকভাবে মোদি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সদরদপ্তর রামাল্লাহ যাননি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে বৃটেন, ফ্রান্সসহ বহু দেশ ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের প্রতি নিন্দা প্রকাশ করেছে। কিন্তু ভারত কোনো পক্ষ নেয়নি। পরিবর্তে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই বিষয়ে ভারত নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে। তৃতীয় কোনো পক্ষের প্রভাব তাদের ওপর পড়েনি। ওই বিবৃতিতে জেরুজালেমের দিকে কোনো ইঙ্গিত করা হয়নি। উল্টো, এটি সমালোচনার স্বীকার হয়েছে। ভারতেই বিবৃতিটিকে, অপর্যাপ্ত, অস্পষ্ট ও ফিলিস্তিনবিরোধী বলে সমালোচনা করা হয়েছে। ভারত সরকারের এক কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, গত সপ্তাহে নয়া দিল্লিতে নিয়োজিত সৌদি আরব, মিশর, কুয়েতসহ বেশ কয়েকটি আরব দেশের রাষ্ট্রদূতেরা ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবরের সঙ্গে দেখা করেন। সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূতেরা আকবরের সঙ্গে ৯ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়া এক আরব লীগে বৈঠকে আলোচিত বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সূত্র আরো জানিয়েছে, তারা ভারত সরকারের কাছ থেকে আরো
পরিষ্কার প্রতিক্রিয়া চায়। তবে আকবর তাদেরকে এ বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেননি। সূত্র জানিয়েছে, জেরুজালেম নিয়ে ভারত সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। নাম না প্রকাশের শর্তে কথা বলা ওই কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, আকবর কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি। উল্লেখ্য, ফিলিস্তিন যখন তাদের নন-এলাইনড মুভমেন্ট চালাচ্ছিল তখন তাদের প্রতি জোর সমর্থন ছিল ভারত সরকারের। পাশাপাশি ইসরাইলের সঙ্গেও নীরবে সম্পর্ক বজায় রেখে চলতো দেশটি। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শাসনামলে ইসরাইলের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বেশ খোলাখুলি ও আরো ঘনিষ্ঠ রূপ নিয়েছে। পর্দার আড়াল থেকে বেরিয়ে এসেছে দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার বন্ধন। হিন্দু জাতীয়তাবাদী মোদি সরকার ইসরাইলকে চরমপন্থি ইসলামিক জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাদের সহযোগী ভাবে। জুলাই মাসে ইসরাইল ভ্রমণ করেন মোদি। এর আগে আর কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইসরাইলে সফর করেননি। এই প্রথমবার কোনো ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইসরাইল সফর করেন। কিন্তু, আশ্চর্যজনকভাবে মোদি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সদরদপ্তর রামাল্লাহ যাননি।
