জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) পাঁচ হাজার ২২০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৭টি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে ।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুমোদিত ১৬টি প্রকল্পের মধ্যে ১৫টি নতুন এবং একটি সংশোধিত প্রকল্প। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন চার হাজার ৭৪৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। এছাড়া প্রকল্প সাহায্য ৪৬২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অনুমোদিত প্রকল্পগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো: শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা’ প্রকল্প- যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকা।

ডিজাস্টাস রিক্স ম্যনেজমেন্ট ইনহ্যানসমেন্ট প্রজেক্ট (কম্পোনেন্ট ২ ও ৩)’ প্রকল্পে মোট ব্যয় ৬২০ কোটি ২২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ১৫৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ৪৬২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

মৃত্তিকা গবেষণা ও গবেষণ সুবিধা জোরদারকরণ (এসআরএসআরএফ) প্রকল্প ব্যয় ৬৩ কোটি আট লাখ টাকা। ‘ময়মনসিংহ বিভাগ এবং ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জ জেলায় ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়ন’ প্রকল্প যাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৯ কোটি এক লাখ টাকা।

‘শেখ রাসেল এভিয়ারি ও ইকো-পার্ক স্থাপন, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা। ‘বঙ্গোপসাগরে জেগে উঠা নতুন চরসহ উপকূলীয় এলাকায় বনায়ন’ প্রকল্প ব্যয় ১০৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

‘চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে ও ট্যাক্সিওয়ের শক্তি বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্প ব্যয় ৫৪০ কোটি ৫২ লাখ টাকা। ‘চট্টগ্রামের পারকি ও পতেঙ্গায় পর্যটন সুবিধাদি প্রবর্তন, প্রকল্প ব্যয় ৬২ কোটি ১১ লাখ টাকা। সালনা (রাজেন্দ্রপুর)-কাপাসিয়া-টোক–মটখোলা মহাসড়ক (আর-৩১২) প্রশস্তকরণ ও মজবুতিকরণ ’ প্রকল্প ব্যয় ২২৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। মিরপুর ডিওএইস গেইট-২ থেকে মিরপুর ১২ পর্যন্ত মহাসড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্প ব্যয় ১৪৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা। পাগালা-জগন্নাথপুর-রাণীগঞ্জ-আউশাকান্দি সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত বেইলী সেতুর জায়গায় সাতটি সেতু এবং নিয়ামতপুর-তাহিরপুর সড়কের আবুয়া সেতুর নদীর উপর সেতু নির্মাণ প্রকল্প। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪১ কোটি ২৫ লাখ টাকা।’

বানৌজো শের-ই বাংলা পটুয়াখালী স্থাপন’ প্রকল্প ব্যয় এক হাজার ৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ‘চট্টগ্রাম আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুলে মুজিব ব্যাটারি কমপ্লেক্স নির্মাণ; প্রকল্প ব্যয় ১৮০ কোটি টাকা। ‘ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. (ওজোপডিকো) এলাকার জন্য স্মার্ট প্রি- পেমেন্ট মিটারিং’ প্রকল্প ব্যয় ৪২৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ‘শেখ লুৎফর রহমান ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপন, পোপালগঞ্জ’ ( প্রথম সংশোধিত)প্রকল্প। এর ব্যয় ১১২ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব জিয়াউল ইসলাম, আইএমইডির সচিব মফিজুল ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম এবং ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ।

Share Now
May 2026
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031