উত্তর কোরিয়া আলোচনায় বসার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রস্তাব গ্রহণ করেছে । আগামী ৯ জানুয়ারি দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তবর্তী পানমুনজোম গ্রামে পিস হাউসে দুই দেশের প্রতিনিধিরা মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছেন।

বিবদমান দুই প্রতিবেশীর মধ্যে শেষ বার কথা হয়েছিল বছর দুয়েক আগে। গত ২ বছর ধরে এই দুই দেশের মধ্যে কূটনেতিক পর্যায়ে আলোচনার চেষ্টা চলছিল। অবশেষে সেই প্রচেষ্টা সফল হতে চলেছে বলে শুক্রবার সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার ইউনিফিকেশন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বায়েক তাই হুন।

বায়েক আরও জানান, দু’দেশই কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তাদের মধ্যে বিনিময় করার জন্য রাজি হয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি নিয়েও আলোচনা হতে পারে ওই বৈঠকে।

ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ কোরিয়ায় পিয়ংচ্যাংয়ে শীতকালীন অলিম্পিক আসর বসতে চলেছে। উত্তর কোরিয়া থেকে কয়েকজন প্রতিযোগী অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে সেই সূত্র ধরেই কি আলোচনার রাস্তায় হাঁটছে চাইছেন কিম?

বছরের শুরুতেই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশে অলিম্পিকে তার দেশের প্রতিযোগীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নরম সুরই শোনা গিয়েছিল কিমের গলায়। পাশাপাশি, এটাও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, এ বার দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেন তারা।

হঠাৎ করে কিমের এমন ইঙ্গিতে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল আন্তর্জাতিক মহলে। তাহলে কি এ বার  দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে সম্পর্কের বরফ গলতে চলেছে? অবশেষে সেই জল্পনায় ইতি পড়ল।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায় আশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার আলোচনায় রাজি হওয়া এবং অলিম্পিকে অংশ নেয়া দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতির একটা লক্ষণ।

অলিম্পিকে উত্তর কোরিয়ার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে আলোচনা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

কর্মকর্তাদের যোগাযোগের জন্য এরইমধ্যে টেলিফোনে একটি হট লাইন চালু করা হয়েছে।২০১৫ সালের ডিসেম্বরের পর এটাই দুই কোরিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের প্রথম বৈঠক হতে যাচ্ছে।

সূত্র: আনন্দবাজার ও সিএনএন

Share Now
July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031