চট্টগ্রামজুড়ে খালেদা জিয়ার মামলার রায় ঘিরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার ভোর আসেনি অন্যান্য দিনের মতো। বাড়েনি নাগরিক ব্যস্ততা। রাস্তায় সীমিত রয়েছে যান চলাচল।

তবে ভোর থেকেই রাজপথ দখলে নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নাশকতা এড়াতে সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ ও র‍্যাব। তাদের  পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে রয়েছে চার প্লাটুন বিজিবি।

তবে এত কিছুর পরও আতঙ্ক কাটছে না নগরবাসীর। সবখানেই বিরাজ করছে চাপা আতঙ্ক। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হননি কেউই। রাস্তায় ব্যক্তিগত যানবাহন একেবারেই শূণ্যের কোঠায়। রিকশা, অটোরিকশাসহ গণপরিবহণের উপস্থিতিও রয়েছে সীমিত।

রেলওয়ে স্টেশন ও বাস টার্মিনালে অন্যান্য দিনের মতো নেই ব্যস্ততা। তবে দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা রুটের সকল যানবাহন চলাচল রয়েছে অনেকটাই স্বাভাবিক। সময়মতো ছেড়ে গেছে বিভিন্ন গন্তব্যের ট্রেন। বেলা বাড়লেও সেইভাবে খোলেনি নগরীর বিপণী বিতানগুলো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি রয়েছে সীমিত।

এদিকে এ রায় নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়েছে ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপি শিবিরে। এরই মধ্যে নগর দলীয় কার্যালয়ে এসে অবস্থান নিয়েছেন নগর বিএনপির সভাপতি  ড. শাহাদাত হোসন। তার সঙ্গে রয়েছেন বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। সহিংসতা এড়াতে আগে থেকেই ওই এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে নগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়েও। সেখানেও বাড়ছে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি। তবে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অবস্থান নেবেন বলে জানা গেছে। এনিয়ে সকাল ১০টা পর্যন্ত নগরীতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) রেজাউল মাসুদ বলেন, জেলার অধীনে ১৭৩ কিলোমিটার মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে থানাভিত্তিক শতাধিক স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও মহাসড়ক ও উপজেলাগুলোর বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চলছে।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (বিশেষ শাখা) জসীম উদ্দিন জানান, নগরীতে পুলিশের টহল শুরু হয়েছে। পাশাপাশি তল্লাশিচৌকিও রয়েছে।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031