আন্দোলনকারীরা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসসহ (বিসিএস) সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা প্রথার সংস্কার করে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসার দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পুলিশি হামলার প্রতিবাদে আগামী রোববার সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে । গতকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান ও মো. রাশেদ খানসহ আন্দোলনকারীরা। হাসান আল মামুন বলেন, ওইদিন আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিনা কারণে পুলিশ হামলা চালিয়েছে। ব্যাপক ধরপাকড় করেছে। এ হামলা ও ধরপাকড়ের প্রতিবাদে আগামী রোববার সকাল ১০টায় সারাদেশে সকল কলেজ, বিশ^বিদ্যালয় ও জেলা শহরগুলোতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হবে।
সেখান থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা হবে। ফারুক হাসান বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর অহিংস আন্দোলনে বিশ্বাসী। কিন্তু পুলিশ বিনা কারণে আমাদের ওপর হামলা চালায়।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে কোটা সংস্কারনসহ পাঁচ দফা দাবিতে সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে এসব কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি হলো- সরকারি নিয়োগে কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, কোটার যোগ্য প্রার্থী না পেলে শূন্যপদে মেধায় নিয়োগ, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিন্ন বয়সসীমা, নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহার না করা। ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে গতকাল ঢাকায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঘেরাও ও দেশব্যাপী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিল আন্দোলনকারীরা। কিন্তু ঢাকায় শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও ব্যাপক ধরপাকড় করে পুলিশ। প্রতিবাদে আটকদের মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে রাত ৯টার দিকে পুলিশ আটকদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয় ।
প্রসঙ্গত, গত ১৭ই ফেব্রুয়ারি থেকে কোটা সংস্কারনসহ পাঁচ দফা দাবিতে সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে সাধারণ শিক্ষার্থী ও চাকরি প্রত্যাশীরা। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের ব্যানারে এসব কর্মসূচি পালিত হয়। শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবি হলো- সরকারি নিয়োগে কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, কোটার যোগ্য প্রার্থী না পেলে শূন্যপদে মেধায় নিয়োগ, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিন্ন বয়সসীমা, নিয়োগ পরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহার না করা। ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে গতকাল ঢাকায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঘেরাও ও দেশব্যাপী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিল আন্দোলনকারীরা। কিন্তু ঢাকায় শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও ব্যাপক ধরপাকড় করে পুলিশ। প্রতিবাদে আটকদের মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে রাত ৯টার দিকে পুলিশ আটকদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয় ।
