চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দালালরা। বর্তমানে হাসপাতালে দালাল রয়েছে ৫০ থেকে ৬০ জন। সংখ্যা বেড়ে যাওয়া বর্তমানে দুই শিফট করে দালালি করছে তারা নানা কায়দায় দালালি করছেন । এতে প্রতিনিয়ত হয়রানি শিকার হচ্ছেন রোগী ও স্বজনেরা।
সুত্রে জানা যায়, হাসপাতালের ভেতরে কর্মকর্তা-কর্মচারীর একটি চক্রের সাহায্যে দালালরা ওয়ার্ডে অবস্থান নেন। যখন কোনো অসহায় রোগী ওয়ার্ডে ভর্তি হন, সুযোগ বুঝে সেটি লুফে নেন তারা। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ওয়ার্ডে আনাগোনা বাড়িয়ে দেয়।
জানা যায়, দালালদের মূল টার্গেটে থাকে প্রসূতি ও গাইনী, ক্যাজুয়ালিটি, নিউরোসার্জারী, অর্থপেডিক্সসহ বেশকিছু ওয়ার্ড। কারণ এসব ওয়ার্ডের রোগীরা বেশিরভাগ জরুরি চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। তাই অনেক সময় রোগীর স্বজনদের কথার মাধ্যমে আয়ত্বে নিয়ে তাদের কাছে সবকিছু হাতিয়ে নেন দালালেরা।
এতে শেষ নয় দালালদের সংগ্রাম। রোগী ও স্বজনদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে যান ওষুধ দোকানগুলোতে। সেখান থেকেও কমিশন নেন দালালেরা। যদিও ওষুধ দোকানগুলো নিজেরাই দালাল নিয়োগ করেন। হাসপাতালের পুর্ব গেটের দোকানগুলির ব্যবসা পুরোপুরি দালাল নির্ভর। হাজারে একশ টাকা কমিশন পান দালালেরা। এটাই অলিখিত নিয়ম।
অন্যদিকে সবকিছু ছাপিয়ে অভিযোগ যখন হাসপাতালের প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে। তখন আর কেউ কথা বলেন না। কয়েকজন দালাল স্বীকার করেন, প্রভাবশালী চক্রকে কমিশন দিলে দালালি করা যায় হাসপাতালে। নয়তো অজুহাত দেখিয়ে বের করে দেয়া হয় হাসপাতাল এলাকা থেকে। তবুও কেউ বলতে রাজী হননি, প্রভাবশালী চক্রটির সদস্য কারা।
তবে সিটিজি টাইমসের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে কিছু রাঘব বোয়ালের নাম। কিন্তু এখনো পুরোপুরি তথ্য হাতে আসেনি। তাই পাঠকদের অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী পর্বের জন্য।
