প্রায় শতাধিক সদস্যের একটি অভিযাত্রী দল মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে স্বাধীনতার চেতনাকে লালন করতে দীর্ঘ ২৬ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মত এই পদযাত্রা সম্পন্ন হলো।
রবিবার ভোরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ‘মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের সহায়তায় হাঁটি এক মাইল’ এই স্লোগানকে ধারণ করে পদযাত্রায় অংশ নেন শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, নাট্যকর্মী ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।
পদযাত্রাটি মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর ও অভিযাত্রীর পৃষ্ঠপোষ্ঠপোষকতায় দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টা পথ পায়ে হেঁটে পারি জমায় এতে অংশগ্রহণকারীরা। প্রায় পঞ্চাশ সদস্যদের নিয়ে শুরু করা পদযাত্রাটিতে পরবর্তীতে শিশুসহ বেশকিছু কোমলমতী শিক্ষার্থীরাও পথে তাদের সাথে যোগ দেয়।
পরে প্রায় শতাধিক সদস্যের অভিযাত্রী দলটি রাত ৮টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছায়। এসময় তারা শপথ বাক্য পাঠসহ শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।
পদযাত্রায় অংশ নেয়া দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক গাজী মনছুর আজিজ ঢাকাটাইমসকে বলেন, দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর লাখো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশকে পেয়েছি। আমরা শহীদদের সেই আত্মত্যাগকে উপলব্ধি করতে চাই। যেহেতু আমাদের মত নতুন প্রজন্ম এখন যুদ্ধে অংশ নিয়ে অস্ত্র হাতে নিতে পারছে না। তাই পায়ে হেঁটে হলেও যাতে সেসব শহীদের ত্যাগকে আমরা উপলব্ধি করতে পারি সে জন্যই এই পদযাত্রায় অংশ নেয়া।
দ্বিতীয়বারের মত এই পদযাত্রায় অংশ নেয়া মোহাম্মদপুরের বসিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া শিক্ষার্থী রাব্বী জানায়, বিজয় দিবসের মত এবারের স্বাধীনতা দিবসেও সে এই পদযাত্রায় সঙ্গী হয়েছে। হেঁটে এত দূর আসতে কষ্ট হলেও এখানে এলে তার অনেক ভালো লাগে।
রাজধানীর নালন্দা স্কুল প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া সাত বছর বয়সী অসমিতাকেও অভিযাত্রী দলের মাঝে দেখা যায় বাবার ইমরুল চৌধুরীর সাথে হাতে পতাকা নিয়ে স্মৃতিসৌধে আসতে।
অসমিতার বাবা ইমরুল চৌধুরী জানান, ভোরে তিনি বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মেয়ে তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরে। এরপর শহীদ মিনার থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত বেশ কিছু পথ তার সাথে হেঁটে এসেছে অসমিতা। এজন্য গর্বে তার বুক ভরে যাচ্ছে এই ভেবে যে, এত ছোট থেকেই মেয়ে তার স্বাধীনতার চেতনাকে মনে লালন করতে শিখছে।মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে স্বাধীনতার চেতনাকে লালন করতে দীর্ঘ ২৬ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রায় শতাধিক সদস্যের একটি অভিযাত্রী দল। মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মত এই পদযাত্রা সম্পন্ন হলো।
রবিবার ভোরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ‘মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের সহায়তায় হাঁটি এক মাইল’ এই স্লোগানকে ধারণ করে পদযাত্রায় অংশ নেন শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, নাট্যকর্মী ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।
পদযাত্রাটি মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর ও অভিযাত্রীর পৃষ্ঠপোষ্ঠপোষকতায় দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টা পথ পায়ে হেঁটে পারি জমায় এতে অংশগ্রহণকারীরা। প্রায় পঞ্চাশ সদস্যদের নিয়ে শুরু করা পদযাত্রাটিতে পরবর্তীতে শিশুসহ বেশকিছু কোমলমতী শিক্ষার্থীরাও পথে তাদের সাথে যোগ দেয়।
পরে প্রায় শতাধিক সদস্যের অভিযাত্রী দলটি রাত ৮টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছায়। এসময় তারা শপথ বাক্য পাঠসহ শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।
পদযাত্রায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে স্বাধীনতার চেতনাকে লালন করতে দীর্ঘ ২৬ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রায় শতাধিক সদস্যের একটি অভিযাত্রী দল। মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মত এই পদযাত্রা সম্পন্ন হলো।
রবিবার ভোরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ‘মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের সহায়তায় হাঁটি এক মাইল’ এই স্লোগানকে ধারণ করে পদযাত্রায় অংশ নেন শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, নাট্যকর্মী ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।
পদযাত্রাটি মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর ও অভিযাত্রীর পৃষ্ঠপোষ্ঠপোষকতায় দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টা পথ পায়ে হেঁটে পারি জমায় এতে অংশগ্রহণকারীরা। প্রায় পঞ্চাশ সদস্যদের নিয়ে শুরু করা পদযাত্রাটিতে পরবর্তীতে শিশুসহ বেশকিছু কোমলমতী শিক্ষার্থীরাও পথে তাদের সাথে যোগ দেয়।
পরে প্রায় শতাধিক সদস্যের অভিযাত্রী দলটি রাত ৮টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছায়। এসময় তারা শপথ বাক্য পাঠসহ শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।
পদযাত্রায় অংশ নেয়া দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক গাজী মনছুর আজিজ ঢাকাটাইমসকে বলেন, দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর লাখো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশকে পেয়েছি। আমরা শহীদদের সেই আত্মত্যাগকে উপলব্ধি করতে চাই। যেহেতু আমাদের মত নতুন প্রজন্ম এখন যুদ্ধে অংশ নিয়ে অস্ত্র হাতে নিতে পারছে না। তাই পায়ে হেঁটে হলেও যাতে সেসব শহীদের ত্যাগকে আমরা উপলব্ধি করতে পারি সে জন্যই এই পদযাত্রায় অংশ নেয়া।
দ্বিতীয়বারের মত এই পদযাত্রায় অংশ নেয়া মোহাম্মদপুরের বসিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া শিক্ষার্থী রাব্বী জানায়, বিজয় দিবসের মত এবারের স্বাধীনতা দিবসেও সে এই পদযাত্রায় সঙ্গী হয়েছে। হেঁটে এত দূর আসতে কষ্ট হলেও এখানে এলে তার অনেক ভালো লাগে।
রাজধানীর নালন্দা স্কুল প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া সাত বছর বয়সী অসমিতাকেও অভিযাত্রী দলের মাঝে দেখা যায় বাবার ইমরুল চৌধুরীর সাথে হাতে পতাকা নিয়ে স্মৃতিসৌধে আসতে।
অসমিতার বাবা ইমরুল চৌধুরী জানান, ভোরে তিনি বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মেয়ে তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরে। এরপর শহীদ মিনার থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত বেশ কিছু পথ তার সাথে হেঁটে এসেছে অসমিতা। এজন্য গর্বে তার বুক ভরে যাচ্ছে এই ভেবে যে, এত ছোট থেকেই মেয়ে তার স্বাধীনতার চেতনাকে মনে লালন করতে শিখছে।মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে স্বাধীনতার চেতনাকে লালন করতে দীর্ঘ ২৬ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রায় শতাধিক সদস্যের একটি অভিযাত্রী দল। মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মত এই পদযাত্রা সম্পন্ন হলো।
রবিবার ভোরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ‘মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের সহায়তায় হাঁটি এক মাইল’ এই স্লোগানকে ধারণ করে পদযাত্রায় অংশ নেন শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, নাট্যকর্মী ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ।
পদযাত্রাটি মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর ও অভিযাত্রীর পৃষ্ঠপোষ্ঠপোষকতায় দীর্ঘ ১৪ ঘণ্টা পথ পায়ে হেঁটে পারি জমায় এতে অংশগ্রহণকারীরা। প্রায় পঞ্চাশ সদস্যদের নিয়ে শুরু করা পদযাত্রাটিতে পরবর্তীতে শিশুসহ বেশকিছু কোমলমতী শিক্ষার্থীরাও পথে তাদের সাথে যোগ দেয়।
পরে প্রায় শতাধিক সদস্যের অভিযাত্রী দলটি রাত ৮টায় সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছায়। এসময় তারা শপথ বাক্য পাঠসহ শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও জাতির বীর সন্তানদের শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন।
পদযাত্রায় অংশ নেয়া দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক গাজী মনছুর আজিজ ঢাকাটাইমসকে বলেন, দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর লাখো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশকে পেয়েছি। আমরা শহীদদের সেই আত্মত্যাগকে উপলব্ধি করতে চাই। যেহেতু আমাদের মত নতুন প্রজন্ম এখন যুদ্ধে অংশ নিয়ে অস্ত্র হাতে নিতে পারছে না। তাই পায়ে হেঁটে হলেও যাতে সেসব শহীদের ত্যাগকে আমরা উপলব্ধি করতে পারি সে জন্যই এই পদযাত্রায় অংশ নেয়া।
দ্বিতীয়বারের মত এই পদযাত্রায় অংশ নেয়া মোহাম্মদপুরের বসিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া শিক্ষার্থী রাব্বী জানায়, বিজয় দিবসের মত এবারের স্বাধীনতা দিবসেও সে এই পদযাত্রায় সঙ্গী হয়েছে। হেঁটে এত দূর আসতে কষ্ট হলেও এখানে এলে তার অনেক ভালো লাগে।
রাজধানীর নালন্দা স্কুল প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া সাত বছর বয়সী অসমিতাকেও অভিযাত্রী দলের মাঝে দেখা যায় বাবার ইমরুল চৌধুরীর সাথে হাতে পতাকা নিয়ে স্মৃতিসৌধে আসতে।
অসমিতার বাবা ইমরুল চৌধুরী জানান, ভোরে তিনি বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মেয়ে তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরে। এরপর শহীদ মিনার থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত বেশ কিছু পথ তার সাথে হেঁটে এসেছে অসমিতা। এজন্য গর্বে তার বুক ভরে যাচ্ছে এই ভেবে যে, এত ছোট থেকেই মেয়ে তার স্বাধীনতার চেতনাকে মনে লালন করতে শিখছে।অংশ নেয়া দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক গাজী মনছুর আজিজ ঢাকাটাইমসকে বলেন, দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর লাখো শহীদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশকে পেয়েছি। আমরা শহীদদের সেই আত্মত্যাগকে উপলব্ধি করতে চাই। যেহেতু আমাদের মত নতুন প্রজন্ম এখন যুদ্ধে অংশ নিয়ে অস্ত্র হাতে নিতে পারছে না। তাই পায়ে হেঁটে হলেও যাতে সেসব শহীদের ত্যাগকে আমরা উপলব্ধি করতে পারি সে জন্যই এই পদযাত্রায় অংশ নেয়া।
দ্বিতীয়বারের মত এই পদযাত্রায় অংশ নেয়া মোহাম্মদপুরের বসিলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া শিক্ষার্থী রাব্বী জানায়, বিজয় দিবসের মত এবারের স্বাধীনতা দিবসেও সে এই পদযাত্রায় সঙ্গী হয়েছে। হেঁটে এত দূর আসতে কষ্ট হলেও এখানে এলে তার অনেক ভালো লাগে।
রাজধানীর নালন্দা স্কুল প্রথম শ্রেণিতে পড়ুয়া সাত বছর বয়সী অসমিতাকেও অভিযাত্রী দলের মাঝে দেখা যায় বাবার ইমরুল চৌধুরীর সাথে হাতে পতাকা নিয়ে স্মৃতিসৌধে আসতে।
অসমিতার বাবা ইমরুল চৌধুরী জানান, ভোরে তিনি বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মেয়ে তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরে। এরপর শহীদ মিনার থেকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ পর্যন্ত বেশ কিছু পথ তার সাথে হেঁটে এসেছে অসমিতা। এজন্য গর্বে তার বুক ভরে যাচ্ছে এই ভেবে যে, এত ছোট থেকেই মেয়ে তার স্বাধীনতার চেতনাকে মনে লালন করতে শিখছে।
