অরুণাচল প্রদেশ লাদাখ থেকে । চীনের সঙ্গে এই সীমান্তে আবারো উত্তেজনা দেখা দিয়েছে ভারতের। তাই ধীরে ধীরে সেখানে সেনা শক্তি বৃদ্ধি করছে ভারত। প্রায় সাত মাস আগে সিকিম-ভুটান-তিব্বত ত্রি-জংশনের কাছে দোকলাম নিয়ে দু’দেশ যুদ্ধংদেহী অবস্থান নেয়। সে অবস্থা অব্যাহত থাকে ৭৩ দিন। তার দৃশ্যত অবসান হলেও নতুন করে আবার শুরু হয়েছে উত্তেজনা।

বলা হচ্ছে, এই শীতে দোকলামের উত্তরাঞ্চল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। এর ফলে ভারত সচকিত হয়ে উঠেছে। চীনের সঙ্গে লাইন অব একটুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি) বরাবর লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ পর্যন্ত সীমান্তে প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় সেনারা। এসব এলাকায় চীনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য কঠিন। কারণ, এসব অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ, ব্রিজ, একটি উপত্যকার সঙ্গে আরেকটি উপত্যকার সংযুক্তির ক্ষেত্রে রয়েছে সমস্যা। রয়েছে সমরাস্ত্রের ঘাটতি। হেলিকপ্টার, ড্রোনের অভাব রয়েছে। বিশেষায়িত সমরাস্ত্রের মজুদ নেই। তারপরও নৈতিক দিক থেকে ভারতীয় সেনারা রয়েছে উচ্চ মানসিক প্রস্তুতিতে। ধীরে তবে অব্যাহত গতিতে তারা এলএসি বরাবর ৪০৫৭ কিলোমিটার সীমান্তে তাদের পেশীশক্তি বাড়াচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, শুধু অরুণাচল প্রদেশের প্রতিরক্ষার জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে চারটি ইনফ্যান্ট্রি পাহাড়ি ডিভিশনকে। এর প্রতিটি ডিভিশনে সেনা সদস্য রয়েছেন ১২ হাজারের ওপরে। তারা থাকবে ৩ কোর (দিমাপুর) ও ৪ কোর  (তেজপুর)-এর অধীীনে। সঙ্গে থাকবে অতিরিক্ত দুই ডিভিশন রিজার্ভ সেনা। তিব্বতের দক্ষিণে যে অংশকে চীন তাদের বলে দাবি করছে সেখানকার তেওয়াংয়ে সবচেয়ে বেশি সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। যেকোনো ধরণের হুমকি মোকাবিলা করার জন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কিবিথু-ওয়ালং সেক্টরে তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে আছেন এমন একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেছেন, আমাদের প্রাথমিক কাজ হলো এলএসি’কে নিরাপদ রাখা। শান্তিপূর্ণ উপায়ে আমরা তা করতে চাই। যদি আমাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয় তাহলে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকবো। এবার আমরা তাদেরকে (চীনা) সামনে এগিয়ে আসতে দেবো না।
Share Now
July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031