বিএনপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,জনগণের সাড়া না পেয়ে সিটি নির্বাচনে দোষারোপের রাজনীতি করছে। গতকাল  সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের কেন্দ্রিয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক বিষয় এবং আগামী নির্বাচনি ইসতেহারের প্রস্ততি নিয়ে আলোচনা হবে বলে বক্তব্যের শুরুতে জানান দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা। এসময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রায় সকলেই উপস্থিত ছিলেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৈঠকটি চলছিলো। প্রধানমন্ত্রী বলেন,এতিমের টাকা মেরে জেলে গেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

এখানে আমাদের কোনো হাত নেই। এই মামলাও আমাদের সময় হয়নি। তার এত বাঘা বাঘা আইনজীবী, তারা তো কেউ প্রমাণ করতে পারেননি যে, তিনি দুর্নীতি করেননি।

মামলার তারিখ এলেই খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন,নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে নানা খেলা শুরু  হবে,এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে আমরা জনগণের জন্য কাজ করছি এবং করে যাবো। আমরা চাই, অবশ্যই দেশের মানুষ ভালো থাকবে। তিনি আরও  বলেন,জেলখানায় খালেদা জিয়া এসি রুম ও মেইড সার্ভেন্টসহ সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পেয়েছেন। আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তিন সিটিতে শান্তিপূর্নভাবে নির্বাচনি প্রচার চলছিল। হঠাৎ দেখা গেলো, রাজশাহীতে বিএনপির মিছিলে ককটেল ফুটলো, আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সাথে সাথে নির্দেশ দিলাম; এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদেরকে গ্রেপ্তার করার জন্য।

কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেলÑ তাদের (বিএনপি) নিজেদের ভাষায় বেরিয়ে এলো এটা তারা নিজেরাই করেছে আওয়ামী লীগকে দ্বোষারোপ করার জন্য। তারা যখন নির্বাচনে জনগণের কাছে যেয়ে সাড়া পাচ্ছে না তখন তারা ব্লেম গেইম একটা খেলা শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন,নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের ওপর দোষারোপ করে সেটাকেই আর্ন্তজাতিক পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া- এটা তাদের পুরোনো অভ্যাস। তারা নিজেরাই বোমা মারে, নিজেরাই গাড়ি ভাঙে এরপর আমাদের ওপর দোষ চাপায়। এই অভ্যাসটা তাদের আছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবখানে তারা একটা নাটক করে আর্ন্তজাতিকভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চায়। এটা তাদের চরিত্র। সিলেটে যে ঘটনা তারা ঘটিয়েছে। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, আগুন দেয়া, বোমা মারা, গ্রেনেড হামলা করা…আমাদের বদরউদ্দীন আহমেদ কামরান বেচে গেছে তার ক্যাম্পে আগুন লাগিয়েছে। এই কামরানকে মারতে দুই দুইবার তার ওপর হামলা করেছে।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031