সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের সমাবেশ থেকে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়ে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা গণতন্ত্রের ভাষা নয় বলে মন্তব্য করেছেন ।
তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে প্রতিরোধের কথা বলা হয়েছে। এটা গণতান্ত্রিক ভাষা হতে পারে না। গণতন্ত্র রাখতে চাইলে গণতান্ত্রিক ভাষায় কথা বলতে হবে। জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে প্রতিরোধের কথা বলা অন্যায়, অবিবেচনা প্রসূত ও অগ্রণযোগ্য। তা নির্বাচনের পরিবেশকে কলুষিত করবে। আশা করব, এ ধরণের প্রকাশ থেকে ভবিষ্যতে দুরে থাকবেন।
রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর চেয়ারম্যান বাড়ি মাঠে বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সহযোগী সংগঠন প্রজন্ম বাংলাদেশের কর্মসূচি প্ল্যান বি-এর যুব সমাবেশে সাংবাদিকদেরকে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বি. চৌধুরী আরো বলেন, নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন হবে না। প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে। বাকশাল পাস হয়েছিল ১০ মিনিটে। ১০ ঘণ্টায় পাস হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এখনও সময় আছে। জাতীয় সংসদে একটা বিল এনে তা সংশোধন করা যায়। হাইকোর্টও তো রায় দিয়েছিল আরো অন্তত দু’টি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে হবে।
তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টির আগে আমাদেরকে ঐক্য করতে হবে। দেশের মানুষকে, রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। যত বেশি রাজনৈতিক দল অংশ নিতে পারে। সংসদ ভেঙ্গে দিতে হবে। আমাদের সেনা সদস্যরা সারা পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করছে। আমাদের দেশের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার জন্য সেনাবাহিনী নিয়োগ করতে হবে। নির্বাচনের আগে ৩০ দিন সেনা মোতায়েন করতে হবে। আর নির্বাচনের পরে যাতে হামলা-সংঘর্ষ না হয় সে জন্য আরো ১০ দিন মাঠে রাখতে হবে। তাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দিতে হবে।
যুব সমাবেশে বিকল্প ধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান বলেন, দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষের বয়স ত্রিশের নিচে। দেশের উন্নয়নের চাবি তাদের হাতে। আমাদের উন্নয়ন তাদেরকে ঘিরে। আমরা নির্বাচন মুখী। আশা করি, আগামী নির্বাচনে তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি দেশ চালাবে। এছাড়া সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিষ্টার ওমর ফারুক প্রমূখ।
