আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে হত্যায় ব্যবহৃত রক্তমাখা বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পুলিশ। বুধবার বিকালে আদালতের নির্দেশে হত্যা মামলার প্রধান আসামি ইউপি চেয়ারম্যান ফকির শহীদুল ইসলামের দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওইসব অস্ত্র উদ্ধার করে।
অস্ত্রগুলোর মধ্যে পাঁচটি রামদা, তিনটি চাপাতি, একটি ছুরি, একটি হ্যামার ও রক্তমাখা একটি তালের ঢাসা (লাঠি)সহ বেশকিছু লাঠিসোটা রয়েছে।
আওয়ামী লীগ দলীয় দুই নেতা হত্যার ঘটনায় মোরেলগঞ্জ থানায় নিহতদের পরিবার ও পুলিশ পৃথক দুটি মামলা করে। গত দশ দিনে আওয়ামী লীগের দুই নেতা হত্যার ঘটনায় দলীয় চেয়ারম্যান ফকির শহীদুল ইসলামসহ মোট সাতজন এজাহারনামীয় আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
গত ১ অক্টোবর বিকালে দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী দিহিদার এবং কর্মী শুকুর শেখকে দলীয় চেয়ারম্যান ফকির শহীদুল ইসলামের লোকজন ধরে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে বলে প্রতিপক্ষরা দাবি করে আসছে।
মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে আমরা ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে বেশকিছু দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছি। এই অস্ত্র দিয়ে আওয়ামী লীগ দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান ফকির শহীদুল ইসলাম আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছি। এসব অস্ত্রকে আমরা হত্যার আলামত হিসেবে জব্দ করলাম।
