২রা অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করার আগে তিনি নিজের অ্যাপল ওয়াচে রেকর্ডিং চালু করেন। নিখোঁজ সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি তাকে বন্দী, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা নিজেই রেকর্ড করেছিলেন। পরে কনস্যুলেট ভবনে প্রবেশের পর তাকে আটক, জিজ্ঞাসাবাদ, নির্যাতন ও সবশেষে হত্যার ঘটনা সবই ওই অ্যাপল ওয়াচে রেকর্ড হয়। পরে সেগুলো তার ব্যবহৃত আইফোন ও তথ্য সংরক্ষণের অনলাইন স্টোরেজ ‘আইক্লাউডে’ জমা হয়। এসব রেকর্ডিংয়ে তাকে হত্যা করার ঘটনা প্রমাণ হয়। আজ তুরস্কের দৈনিক ডেইলি সাবাহ এর এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, কনস্যুলেটে প্রবেশের সময় খাশোগি তার মোবাইল ফোন বাইরে অপেক্ষমান বাগদত্তার কাছে রেখে যান। খাশোগি কনস্যুলেট থেকে আর বের না হওয়ায় ওই মোবাইল ফোন নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে তুরস্কের নিরাপত্তা বাহিনী। তদন্তকারীরা বলছেন, হত্যাকারীরা কয়েক দফা খাশোগির হাতে থাকা অ্যাপল ওয়াচের অপারেটিং সিস্টেমে ঢোকার চেষ্টা করেছেন। এজন্য তারা বিভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন। সবশেষে খাশোগির আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে অ্যাপল ওয়াচের অপারেটিং সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিতে সফল হন হত্যাকারীরা। কিন্তু তারা খুব অল্প ফাইল মুছে ফেলতে পেরেছেন। অডিও রেকর্ডিংয়ের একটি বিরাট অংশ কনস্যুলেটের বাইরে খাশোগির বাগদত্তার হাতে থাকা আইফোনে জমা হয়েছে।
তবে অ্যাপলের ওয়েবসাইটে অ্যাপল ওয়াচের যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে, তাতে আঙুলের ছাপ ব্যবহারের সুবিধা রাখা হয়নি। সেক্ষেত্রে খাশোগির অ্যাপল ওয়াচে বিশেষ কোন প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা পরিস্কার না।
এদিকে, খাশোগি নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা অভিযোগ অস্বীকার করেছে সৌদি আরব। দেশটির রাজপরিবারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, খাশোগির নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে তাদের কোন ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। একই সঙ্গে খাশোগি কিছুক্ষণ পর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেট ত্যাগ করেছেন বলেও দাবি করেছে সৌদি আরব। সৌদি সরকারের নির্দেশে খাশোগিকে হত্যা করা হয়েছে এমন খবরের বিষয়ে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন সৌদ বিন নাইফ বলেন, এটা সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে পুরোপুরি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ।
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | ||
| 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 |
| 13 | 14 | 15 | 16 | 17 | 18 | 19 |
| 20 | 21 | 22 | 23 | 24 | 25 | 26 |
| 27 | 28 | 29 | 30 | 31 | ||
