চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত চৌধুরী সড়ক দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে দীর্ঘ ১২ দিন আইসিইউতে থাকার পর অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন। আজ শনিবার সকাল দশটায় চমেকে তার মৃত্যু হয়।
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়া বাজারের পশ্চিম খৈয়াছড়া এলাকার মৃত কবির হোসেন চৌধুরী এবং মা রেহেনা আকতারের সন্তান নুসরাত। তার স্বামী ফখরল ইসলাম। নুসরাত চার বছর বয়সী এক কন্যা সন্তানের জননী।
গত ২১ জানুয়ারি সকাল ১০ টায় চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে সড়ক দুর্ঘটনায় মাথায় গুরুতর আঘাত পান নুসরাত। প্রথমদিকে চট্টগ্রামের সিএসসিআর হসপিটালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে (চমেক) চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে।
অবশেষে সবাইকে কাঁদিয়ে শনিবার সকাল দশটায় চমেকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন চবির এই মেধাবী শিক্ষার্থী। আজ আসরের নামাজের পর হালিশহর বি-ব্লক ঈদগাহ মাঠে নুসরাতের জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, ঘটনার দিন তাৎক্ষণিক অপারেশন করাতে না পারায় নুসরাতের মস্তিষ্কের ভিতরের অংশে রক্ত জমাট বেধে ব্রেইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি ব্রেইন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও ছিলো।
প্রাথমিক চিকিৎসার পর পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ ঘন্টা সময় নিয়ে ডাক্তাররা অপারেশন করেন। তখন থেকেই নুসরাত কোমায় এবং আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।
নুসরাতের সহপাঠীরা জানান, নুসরাতের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা চলছিলো। চারটি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর পঞ্চম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার জন্য ২১ জানুয়ারি নুসরাত রওয়ানা দিলে পথে মারাতœক সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন নুসরাত।
