Alertnews24.com

dda

বাংলাদেশে রাজধানী বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে শুধু রাজধানী ঢাকাতেই এক লাখ ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে। বাংলাদেশে মধুপুর ফল্টে ১৮৯৭ সালে সর্বশেষ ৭.২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। তখন ঢাকায় পাকা বাড়ি ছিল মাত্র ১০০টি। এত অল্প বাড়ি সত্ত্বেও তখন কয়েকশ’ মানুষ মারা যায়। আর এখন রাজধানীতে কয়েক লাখ ভবন ও দেড় কোটির বেশি মানুষ। মধুপুর ফল্টের মতো উচ্চ ক্ষমতার ওই রকম ভূমিকম্প হলে ব্যাপক প্রাণহানির সাথে সম্পদের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হবে। মঙ্গলবার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্যোগে ‘ভূমিকম্প ঝুঁকি হ্রাসে করণীয় ও প্রস্তুতি’ শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তারা উপরিউক্ত আশঙ্কার কথা বলেন। এতে আমন্ত্রিত ছিলেন ঢাকার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ) লে. কর্ণেল মোহম্মদ মোশাররফ হুসেন। উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশে ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগজনিত ক্ষতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। এ প্রসঙ্গে চীন থেকে ১০০টি টোয়িং ভেহিক্যাল, ৫০টি অ্যাম্বুলেন্স, ১৫০টি ফায়ার ফাইটিং মোটর সাইকেলসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহের কথা জানানো হয়। এছাড়া ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগ হলে সিডিএমপি’র সহায়তায় ৬২ হাজার শহুরে স্বেচ্ছাসেবক গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রায় ইতোমধ্যে ৩২ হাজার প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাসে ২০০ কোটি টাকার উদ্ধার যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে

 

 
Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031