সড়কে পানি জমে গেছে রাজধানীতে সোমবার দুই দফার বৃষ্টিতে । কোথাও সড়কের পানি ফুটপাতও ডুবে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বিকাল পর্যন্ত ঢাকায় ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

রাজধানীর গুলশান, প্রগতি সরনি, মিরপুর-১, ১১, ১৩ নম্বরসহ অনেক জায়গায় বৃষ্টিতে রাস্তা ডুবে গেছে। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন এসব এলাকায় চলাচলকারী সাধারণ মানুষ। কোথাও দেখা গেছে, বৃষ্টির পানিতে রিকশাও ডুবে যাওয়ার উপক্রম।

এদিকে বৃষ্টির কারণে অনেক সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আফরিন ওসমান ফেসবুকে গাড়িতে বসে যানজটের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘গুলশান-২ থেকে বনানী সড়কে এক ঘণ্টা ধরে বসে আছি। গাড়ি নড়ছে না।’

আবহাওয়া অধিদপ্তরের এপ্রিল মাসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃষ্টি ছাড়াও এ সময় সমুদ্রে দু-একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঝড়োবৃষ্টি ছাড়াও এই মাসে দাবদাহ বয়ে যেতে পারে দেশের উত্তর মধ্যাঞ্চলের ওপর দিয়ে। কোথাও কোথাও এ দাবদাহের কারণে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে যেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মরত আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, আগেই পূর্বাভাস ছিল ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, রাজশাহী বিভাগের কোনো কোনো অঞ্চলের ওপর দিয়ে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা ঝোড়ো বৃষ্টিপাত হতে পারে।

গত কয়েক দিনে ঢাকায় কালবৈশাখী ঝড় হয়েছে। ঘণ্টায় প্রায় ৭৪ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে গেছে ঢাকার উপর দিয়ে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানা ভিডিও ও ছবি ভেসে বেড়াচ্ছে। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, সামান্য বৃষ্টিতে যদি রাজধানীর সড়ক পানিতে ডুবে যায় সামনে কী হবে।

সাইফুল ইসলাম নামের একজন  গুলশান এলাকায় সড়ক ডুবে যাওয়ার ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, ‘একটু বৃষ্টিতেই গুলশানের মতো অভিজাত এলাকার সড়কের অবস্থা। অন্য এলাকার কী অবস্থা কে জানে?’

দৈনিক যুগান্তরের সাংবাদিক মো. মুনির হোসেন বসুন্ধরা এলাকা অর্থাৎ প্রগতি সরনির সড়কের পানির ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘সদরঘাট গেলে আজ ভুল করবেন। বরিশালের লঞ্চ বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার গেট থেকে ছাড়বে।’

আছিয়া নিশি নামের একজন মিরপুর-১৩ নম্বর এলাকার ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেছেন ফেসবুকে। যাতে দেখা যায়, সড়কে পানির ভেতর দিয়ে চলবে বাস। পাশের ফুটপাতও পানিতে ডোবা।

এদিকে বনানীর ২৩ নম্বর রোডে ঝড়ের পর একটি গাড়ির ওপর গাছ পড়ে যায়। তবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


Share Now
July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031