ফজলে হোসেন বাদশা শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেছেন, দেশে উচ্চ শিক্ষার মান কমে গেছে। নৈতিকতারও অবক্ষয় হয়েছে। এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নৈতিকতা ফিরিয়ে আনতে হবে।

শুক্রবার সকালে রাজশাহী নগরীর বারিন্দ মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস নবম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাদশা বলেন, এখন আমরা প্রায়ই দেখতে পাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উপাচার্যের বিরুদ্ধে নানা রকম দুর্নীতির অভিযোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামছেন। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অচলাবস্থা তৈরি হচ্ছে। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সবার আগে নৈতিকতা ফিরিয়ে আনতে হবে। এরপর শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে কাজ করতে হবে।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এই সংসদ সদস্য নতুন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে  বলেন, তোমরা চিকিৎসক হয়ে যখন রোগীর সেবা করবে তখনই এই প্রতিষ্ঠানের সফলতা ফুটে উঠবে। একজন রোগী যখন তোমাদের সেবায় সুস্থ হয়ে উঠবে তখন তোমাদের পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠান সর্ম্পকেও জানবে। তোমাদের সফলতায় এই প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে বলে আমি আশা করি।

তিনি বলেন, বিশে^র সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে আমাদের প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত চিকিৎসায় উন্নত হতে হবে। তাছাড়া উন্নত দেশে পরিণত হওয়া সম্ভব হবে না। বিশ^ব্যাপী আজ ভারতীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার সুনাম বাড়ছে। আমাদেরকেও চিকিৎসা ক্ষেত্রে এমন অগ্রগতি করতে হবে যাতে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার সুনাম উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, আমাদের দেশ থেকে প্রতিবছর অনেক লোক উন্নত চিকিৎসা নিতে ভারতে যায়। তেমনি অনেক লোকও ভারত থেকে ঢাকায় আসে। এখন এই উল্টো যাত্রাও শুরু হয়েছে। তাই এখন যেন রাজশাহীতেও আসে এই উল্টোযাত্রায় বারিন্দ মেডিকেল কলেজকে অগ্রপথিক হিসেবে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহীস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জিব কুমার ভাটি। আরো ছিলেন বারিন্দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শামসুদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. বি.কে দাম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কলেজের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক এবিএস গোলাম রাব্বানী। অন্যদের মধ্যে আরও ছিলেন এনাটমি বিভাগের অধ্যাপক আকতারি আফরোজ, পেডিয়াট্রিক বিভাগের অধ্যাপক ড. এবি সিদ্দিক, বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের সহকারী অধাপক রঞ্জন কুমার নাথ, প্যাথলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুকসানা খাতুন প্রমুখ।

Share Now
March 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031