রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সাদেক আলী শীতের পিঠা নিয়ে মেয়ের বাড়ি যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলেন। বাইসাইকেলে করে রওনা হয়েছিলেন মেয়ের বাড়ির উদ্দেশে। আর কয়েক মিনিট পরেই পৌঁছাতেন মেয়ের বাড়ি। কিন্তু মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় আর মেয়ের বাড়ি যাওয়া হয়নি তার। সড়কেই নিভে যায় তার জীবনপ্রদীপ।
শনিবার বিকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের বোর্ডঘর নামক স্থানে।
নিহত সাদেকের বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের সাতগড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মাহাতাব উদ্দীন।
বড়দরগাহ্ হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শীতের পিঠা নিয়ে সাইকেলযোগে উপজেলার ঘোলা গ্রামে মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন ছাদেক আলী। বোর্ডঘর নামক স্থানে মহাসড়ক পার হতে গিয়ে রংপুরগামী একটি ট্রাক চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান ছাদেক।
বড়দরগাহ্ হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে। মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শীতের পিঠা নিয়ে মেয়ের বাড়ি যাওয়ার জন্য বের হয়েছিলেন রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা সাদেক আলী। বাইসাইকেলে করে রওনা হয়েছিলেন মেয়ের বাড়ির উদ্দেশে। আর কয়েক মিনিট পরেই পৌঁছাতেন মেয়ের বাড়ি। কিন্তু মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় আর মেয়ের বাড়ি যাওয়া হয়নি তার। সড়কেই নিভে যায় তার জীবনপ্রদীপ।
শনিবার বিকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের বোর্ডঘর নামক স্থানে।
নিহত সাদেকের বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের সাতগড়া গ্রামে। তার বাবার নাম মাহাতাব উদ্দীন।
বড়দরগাহ্ হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শীতের পিঠা নিয়ে সাইকেলযোগে উপজেলার ঘোলা গ্রামে মেয়ের বাড়িতে যাচ্ছিলেন ছাদেক আলী। বোর্ডঘর নামক স্থানে মহাসড়ক পার হতে গিয়ে রংপুরগামী একটি ট্রাক চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যান ছাদেক।
বড়দরগাহ্ হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মোয়াজ্জেম হোসেন দুর্ঘটনায় নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে। মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পাশের গ্রামের বাসিন্দা সুলতান মাহমুদ বলেন, ট্রাকচাপায় সাদেকের মরদেহ থেঁতলে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। রাত ১২টার দিকে গ্রামের বাড়িতে সাদেকের দাফন সম্পন্ন হয়।
পাশের গ্রামের বাসিন্দা সুলতান মাহমুদ বলেন, ট্রাকচাপায় সাদেকের মরদেহ থেঁতলে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। রাত ১২টার দিকে গ্রামের বাড়িতে সাদেকের দাফন সম্পন্ন হয়।
