ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেন এবং পরিবহণ সম্পাদক শামস ই নোমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা আনা এবং রিকশা ভাড়া নির্ধারণ করা নিয়ে ডাকসু সদস্য তানভীর হাসান সৈকত এবং নজরুল ইসলামের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের একদিন পর একই বিষয়ে আরেকটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন।
তবে পাল্টাপাল্টি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না সাধারণ শিক্ষার্থীরা । তারা বলছেন, আগামী ডাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘ক্রেডিট’ নিতেই এজিএস কর্তৃক এমন পাল্টা বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে ।
এদিকে, এজিএস সাদ্দামের পাল্টা বিজ্ঞপ্তির বিষয়ে ক্ষোভ ঝেড়েছেন রিকশাভাড়া নির্ধারণ এবং পরিবহন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোক্তা ডাকসু সদস্য তানভীর হাসান সৈকত।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে এমন কর্মকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে যখন যানবাহন শৃঙ্খলা ও ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে অনেকবার আশ্বাস দিয়েও কেউ কোন প্রকার সমাধানের পদক্ষেপ নেয়নি, ঠিক তখনি একপ্রকার বাধ্য হয়েই এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে এবং ১৫ মার্চ থেকে কার্যকর হবে বলে টাইমলাইন দিয়ে দিয়েছি। সুন্দর পরিকল্পনাসহ সবকিছু যখন গুছিয়ে এনেছি, ঠিক তখনি নোংরামি খেলা শুরু করে দিয়েছেন। ভালো!’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সৈকত বলেন, ক্যাম্পাসে রিকশা ভাড়া নির্ধারণ নিয়ে এর আগে অনেকবার আশ্বাস দেয়া হয়েছিল- কিন্তু কোন কাজ হয়নি। কাজ হয়নি দেখেই আমি বাধ্য হয়ে এটা নিয়ে নেমেছি। তখনই কেন তাদের টনক নড়লো। এতদিন তারা কই ছিল। তাদের উদ্দেশ্য কি ? কাজ করা নাকি কাজটাকে নষ্ট করা। সৈকত বলেন. তারা বুঝছে যে আমি ধরা মানে কাজটা আমি করব । এই জন্যই তাদের এমন তোড়জোড় বেড়েছে এখন।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ডাকসুর এজিএস সাদ্দাম হোসেনকে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে ডাকসুর পরিবহন বিষয়ক সম্পাদক শামস-ঈ-নোমান বলেন, এটি সাংঘর্ষিক কোনো বিষয় নয়। শিক্ষার্থীদের মতামত নেয়ার উদ্দেশে এবং ভাড়ার তালিকা তৈরি করতে তাদের সাথে আলোচনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
