শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে পর্যাপ্ত সেবা না পাওয়ার অভিযোগে মধ্যরাতে মেডিকেল সেন্টার চত্বরে বিক্ষোভ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের । গত শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ বিক্ষোভ করলে প্রায় ১ঘন্টা পর প্রক্টরিয়াল বডির আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা প্রশাসনের নিকট ৫ দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ১. সরকারি বাজেট এবং শিক্ষার্থীদের থেকে আদায়কৃত মেডিকেল ফির প্রতিটি টাকার ওষুধ মেডিকেল সেন্টারে মজুদ থাকতে হবে। ২. ৬টি অ্যাম্বুলেন্সের ৬ টিকেই সার্বক্ষণিক সেবা দিতে হবে এবং কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী ব্যক্তিগত প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে পারবে না। ৩. দেশের প্রথম শ্রেণীর নাগরিকদের (বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) চিকিৎসার জন্য মেডিসিন কোর্স করা কোনো ব্যক্তির কর্কশ ব্যবহার আর নড়বড়ে চিকিৎসা ব্যবস্থা চলবে না। অবিলম্বে প্রশিক্ষিত চিকিৎসক নিয়োগ দিতে হবে। ৪. পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে। ৫. মার্জিত ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সেবা দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মেডিকেল সেন্টারে সর্বরোগের ওষুধ হচ্ছে নাপা আর গ্যাস্ট্রিকের ট্যাবলেট। যেকোন সমস্যায় এই দুইটি ওষুধ দেয়া হয়। ন্যূনতম চিকিৎসা সেবাটুকু দিতে না পারলে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে কেন এই মেডিকেল? এছাড়া যেকোন জরুরি মুহূর্তে ডাকলেই অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায় না।
বাংলা বিভাগের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী সৌরভ হাসান শিশির বলেন, একবার এক বন্ধুকে চবি মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যায়। তাকে ধরেও না দেখে ডাক্তার সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। অথচ চমেক হাসপাতালে তাকে একটা ইনজেকশন দেওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠে সে। এ ধরনের ঘটনা মেডিকেলে প্রতিনিয়তই ঘটে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর এসএম মনিরুল হাসান বলেন, ছাত্রদের এবং ডাক্তারদের উভয়ের কথা শুনেছি। উভয়ের কথার সত্যতা যাচাই করা হবে। এতটুকু বলে তিনি আর মন্তব্য করতে রাজী হননি।

Share Now
July 2026
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031