তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিক সেনাবাহিনী- শনিবার এমন কড়া মন্তব্য করেছেন উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং। এখনই দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সব সম্পর্ক শেষ করে দেওয়া হোক। সরকারি সংবাদ সংস্থাকে তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার কার্যকলাপের নিন্দা করে ঘন ঘন বিবৃতি দিয়ে লাভ নেই। ওই সব বিবৃতির ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে। কেউ তাতে গুরুত্বও দিচ্ছে না।

কিম ইয়ো জং বলেন, ‘যা জঞ্জাল তাকে ডাস্টবিনে ফেলাই ভাল। আমাকে দেশের সর্বোচ্চ নেতা, আমাদের দল এবং সরকার যে ক্ষমতা দিয়েছে, তার জোরে আমি সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি, এবার তারাই ভেবে দেখুক দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়।’ খবর দ্য ওয়ালের।

২০ বছর আগে প্রথমবার দুই কোরিয়ার নেতারা বৈঠকে বসেন। ২০০০ সালের ১৩ জুন ওই বৈঠক হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কিম দাই ইয়ুং চেষ্টা করেছিলেন যাতে প্রতিবেশী উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের শত্রুতার অবসান ঘটে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এই উদ্যোগের জন্য তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।

কিম দাই ইয়ুং এর এই প্রচেষ্টাকে অনেকে প্রশংসা করেছিল ঠিকই, কিন্তু সমালোচনাও হয়েছিল নানা মহল থেকে। অনেকের ধারণা দুই কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হওয়ায় লাভ হয়েছিল মূলত উত্তর কোরিয়ার। এর ফলে তারা যে বাড়তি অর্থ উপার্জন করেছিল, তা কাজে লাগিয়েছিল পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পে।

কিছুদিন আগে দক্ষিণ কোরিয়ার সমাজকর্মীরা পিয়ংইয়ং এর কড়া সমালোচনা করে বার্তা পাঠান। বার্তা পাঠানো হয়েছিল বেলুনের মাধ্যমে। এতেই অসন্তুষ্ট হয় উত্তর কোরিয়া। তাদের অভিযোগ, দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারই এই ধরনের প্রচারে উৎসাহ দিচ্ছে।

Share Now
June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930