ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে সাক্ষাত করতে রাজি নন। এমনকি লুক্সেমবার্গের সরকারের কর্মকর্তারাও তাকে সাক্ষাত দিতে রাজি হননি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মাইক পম্পেওর ইউরোপে শেষ সফরে আসার কথা ছিল মঙ্গলবার। এ সময়ে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ অ্যাসেলবর্নের সঙ্গে সাক্ষাত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কর্মফলের কারণে এক সময়ে তাদেরকে নিয়ে যারা সামনের সারিতে থাকতেন, সেইসব নেতা এখন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এর চেয়ে বিব্রতকর, এর চেয়ে লজ্জার আর কি হতে পারে! বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সাক্ষাত দিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতারা অনীহা প্রকাশ করেছেন। পম্পেরওর সঙ্গে সাক্ষাত করতে বিব্রতবোধ করেছেন জ্যাঁ অ্যাসেলবর্ন। তিনি এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ‘ক্রিমিনাল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
ন্যাটোর একটি সম্পদশালী ক্ষুদ্র অংশীদার লুক্সেমবার্গ। ইইউ নেতা ও এর শীর্ষ কূটনীতিতের সঙ্গে ব্রাসেলসে সাক্ষাতের আগে লুক্সেমবার্গের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাসেলবর্নের সঙ্গে সাক্ষাত করার কথা ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর। এ জন্য তিনি মঙ্গলবার লুক্সেমবার্গের পথে পা বাড়াবেন এমন সময় জানিয়ে দেয়া হয় তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন কর্মকর্তারা। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এসবই হচ্ছে গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের উস্কানিতে ক্যাপিটল হিলে হামলা। লুক্সেমবার্গের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দেয় তারা পূর্ব নির্ধারিত শিডিউল বাতিল করেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তারা। অন্যদিকে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ইইউ।
