চীন-মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান প্রশ্নে অবশেষে প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিভিন্ন সঙ্কটে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কট্টরভাবে সহায়কের ভুমিকায় থাকা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার । মিয়ানমার নিজেরাই সমস্যার সমাধান করতে পারবে এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বেইজিংয়ের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন অল্প আগে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মিয়ানমারে কী ঘটছে, তা চীন ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। পরবর্তী বা সম্ভাব্য পরিস্থিতির বিষয়েও বেইজিং খোঁজ-খবর রাখছে। মিয়ানমারের প্রতিবেশী এবং বন্ধুরাষ্ট্র হিসাবে চীন আশা করে সংবিধান এবং আইন মেনে দেশটির অভ্যন্তরীণ সব পক্ষ সঠিকভাবে তাদের বিভেদ কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে।
| M | T | W | T | F | S | S |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | ||||||
| 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 |
| 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 |
| 16 | 17 | 18 | 19 | 20 | 21 | 22 |
| 23 | 24 | 25 | 26 | 27 | 28 | |
